সাম্য, ত্যাগ ও মানবিকতার অনন্য বার্তা নিয়ে আজ উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব এই দিনটি ‘কোরবানির ঈদ’ নামেও পরিচিত। আরবি জিলহজ মাসের ১০ তারিখে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে রাজধানীসহ সারাদেশে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা উদযাপন করছেন এই পবিত্র উৎসব।
সকালে মুসল্লিরা নিকটস্থ ঈদগাহ ও মসজিদে দুই রাকাত ওয়াজিব ঈদের নামাজ আদায় করবেন।
আরও পড়ুন:
ঈদের নামাজের পর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় সামর্থ্যবান মুসলমানরা পশু কোরবানি করবেন। যুগ যুগ ধরে এই উৎসব আত্মসমর্পণ, তাকওয়া ও মানবসেবার শিক্ষা বহন করে আসছে।
কোরবানির মাংস আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও দরিদ্র মানুষের মধ্যে বণ্টনের মধ্য দিয়ে সমাজে সৌহার্দ্য ও সহমর্মিতার বার্তাও ছড়িয়ে পড়ে।আরও পড়ুন:
ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, মহান আল্লাহর নির্দেশে হযরত ইব্রাহিম (আ.) তাঁর প্রিয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি করতে প্রস্তুত হয়েছিলেন। এটি ছিল আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি এক কঠিন পরীক্ষা। কিন্তু তাঁর আনুগত্য ও আত্মত্যাগে সন্তুষ্ট হয়ে আল্লাহ তা’আলা ইসমাইল (আ.)-এর পরিবর্তে একটি পশু কোরবানির ব্যবস্থা করেন।
সেই স্মৃতিকে ধারণ করেই মুসলমানদের জন্য কোরবানির বিধান চালু হয়।আরও পড়ুন:
ইসলামে কোরবানি কেবল পশু জবাইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি আল্লাহর প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্য, ত্যাগের মানসিকতা এবং আত্মশুদ্ধির প্রতীক। তাই পবিত্র ঈদুল আজহা মুসলিম উম্মাহর কাছে ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি মানবতা ও আত্মত্যাগেরও এক মহান শিক্ষা হয়ে ধরা দেয়।
আরও পড়ুন:
পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে সারাদেশে ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর কলকাতার রেড রোডের পরিবর্তে ব্রিগেডে ঈদের জামাত হবে। মালদার সুজপুরের নয়মৌজায়, মুর্শিদাবাদের লোহাপুরে বড় জামাত হচ্ছে।