০৪ মার্চ ২০২৬, বুধবার, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নেপালের নয়া প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: মঙ্গলবার শপথ গ্রহণ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা। সোমবার নেপালের সুপ্রিম কোর্ট ওলিকে সরিয়ে দু’দিনের মধ্যে তাঁর জায়গায় নেপাল কংগ্রেসের সভাপতি শের বাহাদুর দেওবাকে প্রধানমন্ত্রী করার নির্দেশ দিয়েছে। এদিন পাঁচটার মধ্যে নয়া প্রধানমন্ত্রীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভাণ্ডারী। আর এই নির্দেশ দিয়েছে ৫ বিচারপতির বেঞ্চ। নেপাল সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চের নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান বিচারপতি চোলেন্দ্র শামশের রানা। এছাড়াও চার সিনিয়র বিচারপতিও ছিলেন।

বিচারপতি দীপত কুমার কারকি, বিচারপতি মীরা খাদেকা, বিচারপতি ঈশ্বর প্রসাদ খাতিওয়াড়া এবং বিচারপতি ডঃ আনন্দ মোহন ভাট্টারিয়া। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর থেকেই ওলির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠতে শুরু করেছিল। ভারতের সঙ্গে বিরোধিতা শুরু করেছিল নেপাল। এমনকী সীমান্তে গুলি চালানো থেকে শুরু করে ভারতীয় নাগরিককে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার পর্যন্ত ঘটনা ঘটেছিল। উল্লেখ্য যে, আস্থাভোটের পর গত ২২ মে প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ মেনে সংসদের ২৭৫ সদস্যের নিম্নকক্ষ ভেঙে দেন সে দেশের রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভাণ্ডারি। সেই সঙ্গে আগামী ১২ এবং ১৯ নভেম্বর অন্তর্বর্তী নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছিলেন তিনি। রাষ্ট্রপতির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তার পরই শীর্ষ আদালতে ৩০টি হলফনামা জমা পড়ে। তার মধ্যে একটি হলফনামা দায়ের করেছে নেপালি কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা খামেনি পুত্র মোজতবা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নেপালের নয়া প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০২১, মঙ্গলবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: মঙ্গলবার শপথ গ্রহণ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা। সোমবার নেপালের সুপ্রিম কোর্ট ওলিকে সরিয়ে দু’দিনের মধ্যে তাঁর জায়গায় নেপাল কংগ্রেসের সভাপতি শের বাহাদুর দেওবাকে প্রধানমন্ত্রী করার নির্দেশ দিয়েছে। এদিন পাঁচটার মধ্যে নয়া প্রধানমন্ত্রীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভাণ্ডারী। আর এই নির্দেশ দিয়েছে ৫ বিচারপতির বেঞ্চ। নেপাল সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চের নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান বিচারপতি চোলেন্দ্র শামশের রানা। এছাড়াও চার সিনিয়র বিচারপতিও ছিলেন।

বিচারপতি দীপত কুমার কারকি, বিচারপতি মীরা খাদেকা, বিচারপতি ঈশ্বর প্রসাদ খাতিওয়াড়া এবং বিচারপতি ডঃ আনন্দ মোহন ভাট্টারিয়া। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর থেকেই ওলির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠতে শুরু করেছিল। ভারতের সঙ্গে বিরোধিতা শুরু করেছিল নেপাল। এমনকী সীমান্তে গুলি চালানো থেকে শুরু করে ভারতীয় নাগরিককে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার পর্যন্ত ঘটনা ঘটেছিল। উল্লেখ্য যে, আস্থাভোটের পর গত ২২ মে প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ মেনে সংসদের ২৭৫ সদস্যের নিম্নকক্ষ ভেঙে দেন সে দেশের রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভাণ্ডারি। সেই সঙ্গে আগামী ১২ এবং ১৯ নভেম্বর অন্তর্বর্তী নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছিলেন তিনি। রাষ্ট্রপতির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তার পরই শীর্ষ আদালতে ৩০টি হলফনামা জমা পড়ে। তার মধ্যে একটি হলফনামা দায়ের করেছে নেপালি কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট।