রবিবার ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল পাকিস্তানের বালুচিস্তান প্রদেশের রাজধানী কোয়েট্টা। রেললাইনের ধারে ঘটে যাওয়া এই শক্তিশালী বিস্ফোরণে অন্তত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩০ জন। প্রশাসনের আশঙ্কা, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন, ফলে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় সূত্রে খবর, কোয়েট্টার চামান ফটক সংলগ্ন এলাকায় আচমকাই বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে এবং মুহূর্তের মধ্যে রেললাইনের ধারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কে ছুটোছুটি শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে দমকল বাহিনী, পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল।
আরও পড়ুন:
পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের একাধিক বাড়ির জানলার কাচ ভেঙে গিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রেললাইনের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটি গাড়িও। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণের জেরে জাফর এক্সপ্রেসের একটি বগিতে আগুন ধরে যায়। ট্রেনটি পেশোয়ারের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল।
আরও পড়ুন:
ঘটনার পর গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তাবাহিনী। সাধারণ মানুষকে বিস্ফোরণস্থলের কাছাকাছি না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বালুচিস্তানের স্বরাষ্ট্র দফতরের বিশেষ সহকারী বাবর ইউসুফজাই জানিয়েছেন, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
এদিকে, বিস্ফোরণের কিছুক্ষণের মধ্যেই হামলার দায় স্বীকার করেছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন বালোচ লিবারেশন আর্মি বা বিএলএ। সংগঠনটির দাবি, তাদের আত্মঘাতী শাখা ‘মাজিদ ব্রিগেড’ এই হামলা চালিয়েছে। বিএলএ-র প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কোয়েট্টা ক্যান্টনমেন্ট থেকে সেনাকর্মীদের বহনকারী ট্রেনকে লক্ষ্য করেই এই আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়েছে।