দুই দফার ভোটগ্রহণ শেষ হতেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে-আবার কি ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল, নাকি ঘটবে পালাবদল? এরই মধ্যে সামনে এসেছে একাধিক বুথফেরত সমীক্ষা বা এক্সিট পোল, যার বেশ কয়েকটিতে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলছে-পশ্চিমবঙ্গে ফের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়তে পারে তৃণমূল কংগ্রেস।
আরও পড়ুন:
‘জনমত পোলস’-এর সমীক্ষা অনুযায়ী, রাজ্যে চতুর্থবারের জন্য ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে তৃণমূল। তাদের পূর্বাভাস বলছে, তৃণমূল পেতে পারে ১৯৫ থেকে ২০৫টি আসন। অন্যদিকে বিজেপির ঝুলিতে যেতে পারে ৮০ থেকে ৯০টি আসন।
কংগ্রেসের সম্ভাব্য আসন ১ থেকে ৩টি, আর বামফ্রন্ট পেতে পারে একটির বেশি নয়। এছাড়া অন্যান্যদের দখলে যেতে পারে ৩ থেকে ৫টি আসন।আরও পড়ুন:
আরেক সমীক্ষক সংস্থা ‘পিপলস পালস’-ও প্রায় একই ইঙ্গিত দিয়েছে। তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, তৃণমূল পেতে পারে ১৭৮ থেকে ১৮৯টি আসন, যেখানে বিজেপির আসনসংখ্যা থাকতে পারে ৯৫ থেকে ১১০-এর মধ্যে। কংগ্রেসের সম্ভাব্য আসন ১ থেকে ৩টি, এবং বামেরা একটি আসন পেতে পারে বলে মত তাদের।
আরও পড়ুন:
তবে সব সমীক্ষাই যে তৃণমূলের পক্ষে, তা নয়। কয়েকটি বুথফেরত সমীক্ষায় তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস দেওয়া হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে বিজেপিকে সামান্য এগিয়েও রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, রাজনৈতিক লড়াই যে এখনও পুরোপুরি একতরফা নয়, তা স্পষ্ট।
আরও পড়ুন:
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এক্সিট পোল কখনোই চূড়ান্ত ফল নয়, বরং ভোটের প্রবণতার একটি প্রাথমিক ইঙ্গিতমাত্র। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল রাজ্যে অতীতেও বহুবার দেখা গেছে, বুথফেরত সমীক্ষার ফলের সঙ্গে প্রকৃত ফলাফলের বড় ফারাক রয়েছে। ফলে এই সমীক্ষা দেখে অতিরিক্ত উচ্ছ্বাস বা হতাশা-কোনোটাই এখনই যুক্তিযুক্ত নয়।