পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : চিনের গুয়াংডং প্রদেশে মশাবাহিত চিকুনগুনিয়া ভাইরাসে জুলাই মাস থেকে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৭,০০০ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শহর ফোশানে রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পরীক্ষায় নেগেটিভ না আসা পর্যন্ত বা অন্তত সাত দিন থাকার পর রোগীদের হাসপাতাল ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। চিকুনগুনিয়া ভাইরাস সংক্রামিত মশার কামড়ে ছড়ায়।
উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে জ্বর, তীব্র গিঁট ও পেশির ব্যথা, চুলকানিযুক্ত চর্মরোগ, মাথাব্যথা এবং অঙ্গ-সন্ধির ফোলা। যদিও অধিকাংশ রোগী এক সপ্তাহের মধ্যে সেরে ওঠেন, কিছু ক্ষেত্রে ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। গুয়াংডংয়ের অন্তত ১২টি শহরে সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে, যেখানে গত সপ্তাহেই প্রায় ৩,০০০ নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। হংকংয়েও প্রথম একজন আক্রান্তের খবর এসেছে , ১২ বছর বয়সী এক ছেলে ফোশান ভ্রমণের পর উপসর্গে ভুগতে শুরু করে। ভাইরাসটি একজন থেকে আরেকজনে সরাসরি সংক্রমিত হয় না, তবে আক্রান্ত ব্যক্তিকে মশা কামড়ানোর পর সেই মশা অন্যকে কামড়ালে ছড়িয়ে পড়ে।আরও পড়ুন:
এখন পর্যন্ত ৯৫ রোগী মৃদু উপসর্গে ভুগে সাত দিনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন। জলের পাত্র পরিষ্কার না রাখলে ১০,০০০ ইউয়ান পর্যন্ত জরিমানার বিধান করা হয়েছে। মশা নিধনে মশা খেকো মাছ ও ‘হাতি মশা’ ছাড়া হচ্ছে, এমনকি ড্রোন ব্যবহার করে জমা জল শনাক্তের কাজও চলছে। আমেরিকা চিনগামী ভ্রমণকারীদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।