পুবের কলম প্রতিবেদকঃ লক্ষ্য যে দিল্লির মসনদ তিনি আগেই বুঝিয়েছেন। আর ২০২৪-কে সামনে রেখে প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন তৃণমুল সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধ্যায়। জাতীয় স্তরে দলকে বিস্তৃত করার লক্ষ্যে ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকটা জাতীয় রাজনীতির লক্ষ্যে কয়েকটি রাজ্য সফর করবেন। আর সেই লক্ষ্যে চূড়ান্ত কর্মসূচি তৈরি হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
আরও পড়ুন:
দলীয় সূত্রে খবর, কলকাতা পুরভোটের মধ্যেই গোয়া, অসম, মেঘালয়ে যাবেন তৃণমূলনেত্রী। পাশাপাশি বছরের শেষ সপ্তাহে দার্জিলিংয়েও যাওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, আগামী ১৩ ডিসেম্বর গোয়া সফরে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী।
গোয়ায় তৃণমূল সংগঠন বিস্তার করার পর এই নিয়ে দ্বিতীয়বার সেই রাজ্যে যাচ্ছেন মমতা। তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতার কথায়, এ বারের সফরেও গোয়ার আরও বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে গোয়ায় তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনলে কোন কোন কাজের উপরে জোর দেওয়া হবে, তাও মানুষের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করবেন তিনি। গোয়ায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা করাই যে তৃণমূলের উদ্দেশ্য, পশ্চিমবঙ্গের উদাহরণ দিয়ে তাও বোঝানোর চেষ্টা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই গোয়ার মহিলাদের জন্য একটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন তৃণমুল সুপ্রিমো। গোয়ার মহিলাদের ভোট যে প্রধান হাতিয়ার তা বুঝিয়ে দিয়েছেন।আরও পড়ুন:
এরপর গোয়া থেকে ফিরে একদিন কলকাতা পুরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের প্রচারে সময় দেবেন মুখ্যমন্ত্রী।
আগামী ১৯ ডিসেম্বর কলকাতা পুরসভা নির্বাচন। তবে বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর পুরভোট নিয়ে অনেকটাই নিশ্চিন্ত তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব।আরও পড়ুন:
ত্রিপুরার সঙ্গেই গোটা উত্তর পূর্ব ভারতকেও পাখির চোখ করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূল সূত্রে খবর, ২০ ডিসেম্বর অসম গিয়ে গুয়াহাটির কামাখ্যা মন্দিরে পুজো দিতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই শিলং পৌঁছে মেঘালয়ে সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া নেতাদের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা সহ বারো জন কংগ্রেস বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। মেঘালয়ে এখন প্রধান বিরোধী দলও তৃণমূল।
তাই মেঘালয়ে দলের সংগঠন বিস্তারে সাহায্য করতেই সেখানে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আরও পড়ুন:
ত্রিপুরার মতো মেঘালয়েও দেড় বছরের মাথায় বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। ফলে এই রাজ্যগুলিতে তৃণমূলনেত্রী আরও ঘন ঘন যাতায়াত করবেন বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।
আরও পড়ুন:
মেঘালয় থেকে ফেরার পর আগামী ২৭ ডিসেম্বর দার্জিলিং পৌঁছনোর কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আগামী বছর দার্জিলিংয়ে জিটিএ নির্বাচন রয়েছে। তার আগে পাহাড়বাসীর সমর্থন আদায়ও তৃণমূলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। পাহাড়ে সংগঠন মজবুত করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের কমীদের কি বার্তা দেন সেটাই দেখার। সামনে রয়েছে জিটিএ নিবাচন।
আরও পড়ুন:
তার পর ২০২৪ আবার লোকসভা নির্বাচন। তার আগে পাহাড়েও দলকে শক্ত জায়গায় দাঁড় করাতে তৎপর দলনেত্রী।