ভোটের দিন ভবানীপুরে চরম উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হল স্লোগানকে কেন্দ্র করে। সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চললেও, এক পর্যায়ে রাজনৈতিক স্লোগান ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, এর জেরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাঠিচার্জে একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন, যা ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালীঘাটের জয়হিন্দ ভবন বুথে সকাল থেকেই ভোটগ্রহণের গতি ছিল অত্যন্ত ধীর। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই ছিল।
কিন্তু পরে এলাকায় এক রাজনৈতিক প্রার্থীর আগমনকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি বদলে যায়।আরও পড়ুন:
অভিযোগ, বুথ এলাকায় পৌঁছে তিনি রাজনৈতিক স্লোগান দিলে স্থানীয় ভোটাররাও পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতেই অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাহিনী পৌঁছেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার বদলে বেপরোয়া লাঠিচার্জ শুরু করে।
এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, একজনের মাথা ফেটে যায় এবং আরও কয়েকজনকে গুরুতরভাবে মারধর করা হয়।আরও পড়ুন:
পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং জমায়েত সরিয়ে দেয়। তবু এলাকায় উত্তেজনা বজায় রয়েছে। জয়হিন্দ ভবন চত্বর ঘিরে এখনও মোতায়েন রয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী, ফলে এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।
আরও পড়ুন:
ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে উত্তেজনা তৈরি করা হয়েছে। আরও অভিযোগ ওঠে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা আশপাশের বাড়িতেও ঢুকে মারধর করেছে এবং বয়স্ক মানুষদেরও রেহাই দেয়নি।
আরও পড়ুন:
একজন স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“আমরা বহুদিন ধরে এখানে বাস করছি। অথচ আমাদের সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে। আজ যা ঘটল, তা সম্পূর্ণ অন্যায়।”
আরও পড়ুন:
এই ঘটনার প্রতিবাদে গোবিন্দ ঘোষাল রোডে মহিলারাও বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁদের দাবি, ভোটারদের ভয় দেখিয়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।