পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ গ্রামগঞ্জে থাকা প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রের অবস্থা বেহাল কেন। এই নিয়ে কৈফিয়ত দিতে হবে  ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকদের। জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকরা এমনই নির্দেশ দিচ্ছেন ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকদের (বিএমওএইচ)। জেলায় অনেক ব্লক প্রাথমিক হাসপাতালগুলির ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হয়েছে পরিচ্ছন্নতার উপরে। হাসপাতালের ভিতরে কোনও ভাবেই আবর্জনা, নোংরা পরিবেশ যাতে না থাকে, সেই বিষয়েও দেখভালের উপরে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে এমন কোনও নোংরা ছবি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট ব্লক মেডিক্যাল অফিসারকে কেন এমন হল, তার দায়িত্ব নিতে হবে।  জেলা হাসপাতালগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনও অবস্থায় রোগী থাকা সত্ত্বেও আউটডোর বন্ধ করা যাবে না। শেষ রোগী পর্যন্ত চিকিৎসককে আউটডোরে থাকতে হবে। পাশাপাশি হাসপাতালে বায়োমেট্রিক হাজিরা, রঙিন পরিচয়পত্রও নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। 

 এই নিয়ে  জেলা-মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের একাংশ জানান, স্বাস্থ্য দফতর নির্দেশ দিয়েছে রোগী রেফারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মী বা চিকিৎসককে আরও বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে।

নির্দিষ্ট কারণ ছাড়া কোনও অবস্থায় রোগী রেফার করা যাবে না।’ স্বাস্থ্য দফতর স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হাসপাতালকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার উপরে বেশি জোর দিতে হবে। পাশাপাশি হাসপাতালে দালালরাজ রু'তে হবে।  তাঁরা আরও জানান, শুধুমাত্র সরকারি ছুটি ছাড়া প্রতিটি ব্লক প্রাথমিক হাসপাতালে আউটডোরে হবে প্রত্যেক দিন। প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এখনই সেই নিয়ম শুরু হচ্ছে না চিকিৎসকের অভাবের জন্য।
তবুও আমরা চেষ্টা করছি যাতে ওই পিএইইচইগুলোতে সপ্তাহে দু-তিনদিন আউটডোর চালু থাকে।’

 জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকদের বক্তব্য, ‘বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য আলাদা রংয়ের সচিত্র পরিচয়পত্র নতুন করে দেওয়া হবে। রং দেখেই চিহ্নিত করা যাবে, তিনি কোন দফতরের কর্মী। পাশাপাশি আই,কার্ডেও থাকবে তাঁর পরিচয়। প্রতিটি ব্লক প্রাথমিক হাসপাতালে এবার থেকে বায়োমেট্রিক হাজিরা বাধ্যতামূলক করতে হবে। স্বাস্থ্যকর্মী থেকে চিকিৎসকদের ব্যবহারেও পরিবর্তন আনতে হবে। কোনও রোগী বা রোগীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা যাবে না।’