দীর্ঘ কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো ইসরায়েল ও লেবাননের সামরিক কর্মকর্তারা ওয়াশিংটনে সরাসরি বৈঠকে বসেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই আলোচনা ছিল ‘ফলপ্রসূ’ এবং ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক উদ্যোগের জন্য সহায়ক হতে পারে।
আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের দ্বিতীয় শীর্ষ কর্মকর্তা এলব্রিজ কলবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, পেন্টাগনে অনুষ্ঠিত এই নিরাপত্তাবিষয়ক বৈঠক দুই দেশের মধ্যে চলমান শান্তি প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে। তিনি বলেন, সামরিক পর্যায়ের গঠনমূলক আলোচনা আগামী সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত রাজনৈতিক আলোচনার ভিত্তি শক্তিশালী করবে।
আরও পড়ুন:
কলবি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতেও এ ধরনের নিরাপত্তা সংলাপ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে।
তবে বৈঠকে ইসরাইল ও ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান সংঘাত বা যুদ্ধবিরতি ইস্যু নিয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। এদিকে, বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ইসরাইলি বাহিনী লেবাননের অভ্যন্তরে আরও গভীরে অভিযান চালিয়েছে এবং দক্ষিণাঞ্চলে বিমান ও স্থল হামলা অব্যাহত রেখেছে।
আরও পড়ুন:
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দক্ষিণ লেবাননের টাইর অঞ্চলে ইসরাইলি হামলায় এক উদ্ধারকর্মীসহ অন্তত ১১ জন নিহত এবং ৮ জন আহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে সেনা সদস্য, সামরিক ছাউনি ও একটি ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে একাধিক হামলা চালিয়েছে।
আরও পড়ুন:
এ পরিস্থিতিতে জোসেফ আউন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কে জানিয়েছেন, আলোচনায় বাস্তব অগ্রগতি আনতে হলে প্রথম ও সবচেয়ে জরুরি পদক্ষেপ হচ্ছে একটি কার্যকর যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা।