পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: অনগ্রসর শ্রেণি সংক্ষরণ নিয়ে বার্তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ধর্মের ভিত্তিতে নয়, সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণরূপে আর্থিক পরিস্থিতিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। যাঁরা ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ বলছেন তাঁরা বিভ্রান্ত করছেন বলেও জানান তিনি। যা সম্পূর্ণ ভুল কথা বলে জানান। মুখ্যমন্ত্রী জানান , ”ওবিসি তালিকা নির্ধারণের সঙ্গে ধর্মের কোনও সম্পর্ক নেই।আর্থিক অনগ্রসর শ্রেণির ভিত্তিতে সার্ভে হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে আমরা করে ফেলব।
”আরও পড়ুন:
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ”বর্তমানে আমাদের রাজ্যে ১৪০ টি ক্যাটাগরি রয়েছে। এর মধ্যে ৪৯ ওবিসি-এ, ৯১ ওবিসি-বি। আরও ৫০ টি ক্যাটাগরির জন্য সার্ভে করার কাজ চলছে। সিপিএমের আমলে কোনও সার্ভে করা হয়নি। আমাদের সময়ে, ২০১২ সাল থেকে এই সার্ভে করা হচ্ছে।”
আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার বিধানসভা অধিবেশনে যোগ দিয়ে একথা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পহেলগাঁও আবহে সেনাকে সম্মান জানিয়ে বিশেষ প্রস্তাব আসছে বিধানসভার দ্বিতীয়ার্ধ্বে।
মুখ্যমন্ত্রী নিজে তাতে থাকছেন। প্রথমার্ধ্বে একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। অন্যান্য অনগ্রসর সার্টিফিকেট সংক্রান্ত বিষয়টিও ছিল। সেই আলোচনায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ”হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ২২ মে, ২০২৪-এ একটা নির্দেশ দেয়। তার ফলে বাংলার একটা বিশাল সংখ্যক ছাত্রছাত্রী অসুবিধায় পড়ে। এখনও ১১৭ টি শ্রেণি ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য আবেদন করে। পরবর্তী সময়ে হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। এটা আমরা আইন অনুযায়ী করেছিলাম। কমিশন সমীক্ষার কাজে হাত দেয়। গত ৩ জুন ওবিসি রিজার্ভেশন ৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে।”আরও পড়ুন:
ওবিসি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট, হাই কোর্টের নির্দেশ, কমিশনের সুপারিশ, সরকারি বিজ্ঞপ্তি – সবই বিধানসভায় জমা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ধর্মীয় উসকানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন। তার জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”ওরা কিছুই জানে না। মানুষকে শুধু বিভ্রান্ত করতে এসব কথা বলে। সার্ভেতে দেখা গিয়েছে, এর মধ্যে ৬১% হিন্দু, ৭৯% মুসলিম।”