হাইলাইটস: ১৯৯৩ সালের ৮ নভেম্বর। বসনিয়ার মোস্টার সেতু লক্ষ্য করে কামান দাগে ক্রোট বাহিনী। পরদিন অর্থাৎ ৯ তারিখ নেরেৎভা নদীর পানিতে ভেঙে পড়ে উসমানীয় স্থপতিদের হাতে তৈরি ঐতিহাসিক মোস্টার সেতু। ২০০৪ সালে তুরস্কের সহায়তায় পুননির্মিত হয় সেতুটি।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: পশ্চিম বলকানে অবস্থিত উসমানীয় সাম্রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন মোস্টার সেতু ধ্বংসের ২৯তম বার্ষিকী পালন করল বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা।
১৯৯২-১৯৯৫ সালের বসনীয় যুদ্ধে ক্রোট বাহিনীর হামলায় সেতুটি ভেঙে গিয়েছিল। এরপর সেতুটি পুনরায় নির্মিত হয় ২০০৪ সালের জুনে। সেই থেকেই সেতুটি নানা ধর্মের ও জাতের মানুষের মিলনসেতু হয়ে উঠেছে।
আরও পড়ুন:
১৯৯৩ সালের নভেম্বরের ৮ তারিখ ক্রোট বাহিনীর কামানের গোলার আঘাত সইতে না পেরে নভেম্বরের ৯ তারিখ সেতুটি নেরেৎভা নদীতে ভেঙে পড়ে। বর্তমানে এই সেতুটি শহরের দুই অংশকে যুক্ত করার পাশাপাশি বসনীয় ও ক্রোটদের সহাবস্থানের ছবি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরে।
আরও পড়ুন:
প্রবাদপ্রতিম উসমানীয় স্থপতি মিমার সিনানের ছাত্র মিমার হায়রুদ্দিন এই সেতুটির নকশা তৈরি করেন এবং সেতুটির নির্মাণ ১৫৬৬ সাল নাগাদ শেষ হয়।
আরও পড়ুন:
আগ্রাসী ক্রোটদের হামলায় সেতুটি ধ্বংস হওয়ার পর অনেক দেশই এ নিয়ে সরব হয়েছিল। অবশেষে ২০০৪ সালে তুরস্কের সহায়তায় বসনিয়ায় সেতুটি পুনর্নির্মিত হয়।
প্রযুক্তিবিদ ও স্থপতিরা উসমানীয় স্থাপনাটিকে তার পুরনো চেহারা ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন ও অনেকাংশে সফল হন। ২০০৫ সালে মোস্টার শহরের পাশাপাশি মোস্টার সেতুটি ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।