আরও পড়ুন:
দ্য গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সৌদি আরব প্রেম যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মধ্যপ্রাচ্য নীতিকে আমূল নাড়িয়ে দিচ্ছে। বিশেষ করে ইসরায়েলকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা পুরোনো নিরাপত্তা কাঠামো এখন প্রশ্নের মুখে।
আরও পড়ুন:
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ওয়াশিংটন সফরে হোয়াইট হাউসের আড়ম্বর ছিল নজিরবিহীন,অশ্বারোহী বাহিনী, যুদ্ধবিমানের মহড়া, রাজকীয় অভ্যর্থনা। সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যার প্রসঙ্গ উঠলে ট্রাম্প প্রকাশ্যে যুবরাজকে রক্ষা করেন এবং গোয়েন্দা সংস্থার মূল্যায়নকে পাত্তা দেননি। উল্টে সাংবাদিককেই ধমকান।
আরও পড়ুন:
কিন্তু সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির ঘোষণায়। এত দিন ইসরায়েল ছাড়া অন্য কোনও মধ্যপ্রাচ্য দেশকে সমমানের এফ-৩৫ দেওয়ার কথা কল্পনাও করা হয়নি। ট্রাম্প তা ভেঙে বললেন, “সৌদি আরব এবং ইসরায়েল,দু’জনই আমাদের মিত্র, দু’জনই সর্বোচ্চ মানের সরঞ্জাম পাবে।”
আরও পড়ুন:
একই সঙ্গে সৌদি আরব ও আমিরাতের কাছে উন্নত এআই চিপ বিক্রির নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেওয়া হয়েছে। এতে রিয়াদের প্রযুক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা আরও ত্বরান্বিত হবে।
আরও পড়ুন:
ইসরায়েলের কণ্ঠস্বর কি দুর্বল হচ্ছে?
আরও পড়ুন:
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন পদক্ষেপ—
আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিনবিষয়ক জাতিসংঘ প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রের ভাষার নরম হওয়া,
আরও পড়ুন:
সিরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা,
আরও পড়ুন:
ইসরায়েল সফর না করা,
আরও পড়ুন:
হামাস কর্মকর্তাদের ওপর পরিকল্পিত হামলার জন্য নেতানিয়াহুকে ভর্ৎসনা করা— ইঙ্গিত দেয় যে ওয়াশিংটন ধীরে ধীরে ইসরায়েলকেন্দ্রিক নীতি থেকে সরে আসছে।
আরও পড়ুন:
ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতিতেও উপসাগরীয় অর্থের দাপট স্পষ্ট। সৌদি আরব মার্কিন অর্থনীতিতে এক লাখ কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের বিনিয়োগ তহবিলেও মধ্যপ্রাচ্যের টাকায় বিপুল প্রবাহ হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
তাছাড়া, ট্রাম্প নির্বাচিত গণতান্ত্রিক নেতাদের চেয়ে একচ্ছত্র ক্ষমতাধর শাসকদের প্রতি বেশি অনুরাগী। যুবরাজ সালমানের হাতে রাজনৈতিক চাপ কম, আর তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন—যুক্তরাষ্ট্র হতাশ করলে তিনি চীনের দিকে ঝুঁকবেন।
আরও পড়ুন:
তবে কি সত্যিই নীতি পরিবর্তন?
আরও পড়ুন:
দেখতে যতটা নাটকীয় মনে হচ্ছে, বাস্তবে পরিস্থিতি তত সহজ নয়। কারণ,সৌদি বিনিয়োগের কোনো সময়সীমা ঘোষণা হয়নি,
আরও পড়ুন:
কতগুলো এফ-৩৫ কেনা হবে তা স্পষ্ট নয়,
আরও পড়ুন:
আব্রাহাম চুক্তিতে সৌদি এখনও বলছে, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের নিশ্চয়তা ছাড়া সই নয়।
আরও পড়ুন:
বিশ্লেষক ড্যানিয়েল লেভির মতে, “মূল নীতি নয়, বরং বাইডেন প্রশাসনের দুর্বলতা, ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থ আর ইসরায়েলি নেতৃত্বের অতিরিক্ত আক্রমণাত্মক আচরণের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াই এখন দৃশ্যমান।”