পশ্চিমবঙ্গে ভোটার বুথের সংখ্যা প্রায় ১৪ হাজার বাড়তে চলেছে

- আপডেট : ২৯ অগাস্ট ২০২৫, শুক্রবার
- / 50
পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : ভোটার বুথের সংখ্যা প্রায় ১৪ হাজার বাড়তে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। বুথ বিন্যাস নিয়ে কোন অভিযোগ থাকলে রাজনৈতিক দলগুলি তা লিখিত আকারে জমা দিতে পারে। অভিযোগ জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমা ৮ই সেপ্টেম্বর। এই নিয়ে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানিয়েছেন, বুথের পুনর্বিন্যাস করা নিয়ে দলের কোন আপত্তি নেই। আমাদের দাবি অনেকটা দূরে গিয়ে যেন কোন ভোটারকে ভোট দিতে না হয়। যেন একই কেন্দ্রেই অতিরিক্ত বুথ করা হয়।
তিনি আরও বলেছেন, এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ন নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করতে হবে। সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। আর এতে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল সন্তুষ্ট হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা দিবসের সমাবেশে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ভোটার তালিকা থেকে যদি কোনও প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ যায় তাহলে ১০ লক্ষ মানুষ দিল্লিতে নিয়ে যাব।
নির্বাচন কমিশনের সামনে্ন গিয়ে বিক্ষোভ দেখাবো। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় ভূয়ো ভোটার ও অবৈধ ভোটারের সংখ্যা বেশি বলে দাবি তুলছে বিজেপি। সম্প্রতি এই নিয়ে বিহারে প্রায় ৬৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে ভোটার তালিকা থেকে। পশ্চিমবঙ্গে বুথের সংখ্যা সংখ্যা ৮০ হাজারের বেশি, আর যদি বাড়তি ১৪ হাজার করা হয় তাহলে মোট বুথের সংখ্যা হবে ৯৪ হাজার।
বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া এই প্রসঙ্গে বলেছেন, ২৪টি জেলার ডিইও সহমত জানিয়েছেন এই বুথ বিন্যাস নিয়ে কারো কোন অভিযোগ এখনও পর্যন্ত জমা পড়েনি। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ৪০ শতাংশেরও বেশি বুথে বুথ লেভেল অফিসার থাকে। তার মধ্যে থেকে পাঁচ গুণের বেশি আছেন সরকারি কর্মচারী। তার পরেও অস্থায়ী বিএলও কি করে হয়? ২০০২ সালে প্রায় ২৮ লক্ষ সাধারণ মানুষের নাম বাদ হয়েছিল। তখন তো কেউ কোন প্রতিবাদ করেননি, তাহলে এখন কেন? এমনকি তিনি ২০২৬ সালে তৃণমূল আর ক্ষমতায় থাকবে না বলেও চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন।