পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: লক্ষ্মী পুজোর পর থেকেই বাংলায় শুরু হবে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনীর এসআইআর (SIR) কাজ। এমনটাই খবর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর অফিস সূত্রে। জানা গিয়েছে, কমিশন ৬ অক্টোবর অর্থাৎ, লক্ষ্মী পুজোর পর এসআইআর তথা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর প্রস্তুতি শুরু করবে।
দেশজুড়ে এসআইআর-এর একটি অংশ হিসেবে বাংলায় এই প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। এমনিতেই বিহারের পর দিল্লিতে এসআইআর-এর (
PRID=2139342">SIR) বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল কমিশনের একটি বিজ্ঞপ্তির পরই। বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন ঘোষণা দিয়েছিল, তারা ২০০২ সালের এসআইআর-এর তালিকা প্রকাশ করেছে, দিল্লিবাসীরা সেখানে তাদের নাম অনুসন্ধান করতে পারবে। কমিশনের এই বার্তা যে এসআইআর’কে লক্ষ্য করেই তা বলাই বাহুল্য।
সিইও অফিস সূত্রে আরও খবর, মূল কাজের অংশ হিসেবে, ২০০২ সালের এসআইআর-এর তথ্য ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বাংলার ভোটার তালিকার সঙ্গে মেলানোর কাজ প্রায় অন্তিম পর্যায়ে। এদিকে, সিইওর অফিস ইতিমধ্যেই ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে।
বৃহস্পতিবার, অফিসটি নির্বাচনী জনশক্তি ব্যবস্থাপনা তথা ইএমএমএস-২.০ পোর্টাল চালু করেছে, যা ভোটগ্রহণের ক্ষেত্রে কর্মীদের নিয়োগ এবং ব্যবস্থাপনাকে সহজতর করতে ব্যবহার করা হবে। শুক্রবার থেকে রাজ্যের প্রায় ৩২,০০০ অফিসে ভোটগ্রহণ কর্মীদের একটি ডেটাবেস প্রস্তুত করতে এই পোর্টালটি ব্যবহার করা হবে। প্রায় ১৪,০০০ অতিরিক্ত ভোটকেন্দ্র বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-এর ঘাটতি দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দিল্লির মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভোটার তালিকা খতিয়ে দেখার কাজ ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত। দিল্লির সিইও-র ওয়েবসাইটে ২০০২ সালের ভোটার তালিকা আপলোডও করা হয়েছে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, কারও নাম না থাকলে তাঁদের বৈধ নথি প্রস্তুত রাখতে হবে। যাতে সমীক্ষার সময় সমস্যায় পড়তে না হয়।
দিল্লির সিইওর ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের জন্য দেশজুড়ে ভোটার তালিকার এসআইআর শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। দিল্লিতেও সেই প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে সিইও-র দফতর। ইতিমধ্যেই দিল্লির প্রতিটি বিধানসভা আসনে নির্বাচন কমিশনের তরফে ‘বুথ লেভেল অফিসার’ (বিএলও)-দের মনোনয়ন ও নিয়োগপর্ব হয়ে গিয়েছে। তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে সিইও-র দফতর। প্রসঙ্গত, দেশের প্রথম রাজ্য হিসেবে বিহারে এসআইআর (SIR) করেছে কমিশন।