পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : বাংলাদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের নির্বাচন বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে এসেছে। শতাব্দী পেরিয়ে আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর মাত্র ৩৭ বার নির্বাচন হতে পেরেছে। আর রাষ্ট্র হিসেবে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ জন্ম নেওয়ার পর ডাকসু নির্বাচন হয়েছে মাত্র ৭ বার।
আরও পড়ুন:
ফলে ছাত্রছাত্রীরা অবাধ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি।
রাজনৈতিক ডামাডোলের কারণেই নিয়মিত নির্বাচন হয়নি বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামি লিগের শাসনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ছাত্রছাত্রীদের আবাসিক হলগুলি আওয়ামি লিগের বাহুবলী ছাত্রদের হাতে ছিল। সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ ছিল না।হাসিনা সরকারের পতনের পর বহু বছর শেষে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এ জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনও সুষ্ঠু ভোটের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী প্রভৃতি রাজনৈতিক দলগুলি ছাত্র শাখা এবং অন্য কিছু সংগঠনের প্যানেল এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।আরও পড়ুন:
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গেছে, নির্বাচন চলছে মোটামুটি শান্তিতে এবং পড়ুয়ারা ভোট দিচ্ছেন উৎসবের পরিবেশে।
সকলেই কিন্তু উৎসুক যে, এই নির্বাচনে কোন ছাত্র সংগঠন সংসদের বেশির ভাগ পদ দখল করবে। বিএনপি’র ছাত্র দল এবং ছাত্র শিবির সমর্থিত প্যানেলগুলি ভালো ফল করতে পারে বলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন। তবে শেষ কথা বলবে কার পক্ষে হয়েছে ছাত্রছাত্রীদের ভোট প্রদান।আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ডাকসু’র এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের এক মিনি সংস্করণ বলে অনেকে মনে করছেন। ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন জাতীয় সংসদের ভোট করাবে। সেক্ষেত্রে ডাকসু নির্বাচন বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে কিছু আগাম সংকেত দিতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।