https://twitter.com/ANI/status/1517394789800767489?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1517394789800767489%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.india.com%2Fkarnataka%2F2-hijab-petitioners-refuse-to-take-exam-in-karnataka-udupi-aliya-assadi-and-resham-sent-back-from-pu-examination-centre-for-wearing-hijab-5351955%2F

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ হিজাব মামলার দুই  আবেদনকারিনী আলিয়া আসাদি এবং রেশমকে শুক্রবার উদুপিতে তাদের  স্নাতক স্তরের দ্বিতীয়  পরীক্ষাতে বসতে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হলনা। পরীক্ষা না দিয়েই ফিরতে হল তাদের।    আলিয়া এবং রেশম জেলার মহিলা সরকারি পিইউ কলেজের বাণিজ্য বিভাগের ছাত্রী। পরীক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে তাদের হল টিকিট সংগ্রহ করে  নির্দিষ্ট পরীক্ষা কেন্দ্র পিইউ কলেজে যায়।

 সূত্রের খবর, অনুমতি না দেওয়ায়  পরীক্ষা না দিয়েই ফিরতে হয় ওই পরিক্ষার্থীদের।

একটি  বিজ্ঞপ্তিতে কর্নাটকের  শিক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছিল  যে পিইউসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ছাত্রদের পাশাপাশি পরীক্ষার দায়িত্বে নিযুক্ত শিক্ষকরা হিজাব বা ধর্মীয় পরিচয় বহনকারী  কোনও পোশাক পরতে পারবেন না। উল্লেখ্য উদুপির ছয়জন শিক্ষার্থী, যারা হিজাব পরে শ্রেণীকক্ষে প্রবেশের  অনুমতি চেয়ে কর্ণাটক হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। একই ভাবে তারা কর্নাটকের শিক্ষামন্ত্রকের কাছে আবেদন জানায় তাদের যেন হিজাব পরে পরীক্ষায় বসতে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

তবে যথারীতি এই অনুমতি প্রদানের জায়গায় তা প্রত্যাখাত হয়।

কিন্তু রাজ্য সরকার অভিন্ন নিয়ম বহাল রাখার উচ্চ আদালতের রায়ের উল্লেখ করে তাদের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে। রাজ্যসরকার অনুমতি না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত হিজাব পরেই পরীক্ষাকেন্দ্রে যান আলিয়া এবং রেশম। তবে যথারীতি তাদের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হলনা।  প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে ওই দুই ছাত্রী কলেজ কর্তৃপক্ষকে বোঝানোর চেষ্টা করেন।  তবে হিজাব পরে পরীক্ষায় বসতে না দেওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন কর্তৃপক্ষ।
 শুক্রবার থেকে  কর্ণাটকে স্নাতক স্তরের পরীক্ষা শুরু হয়েছে।  ৬,৮৪,২৫৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসছেন। পরীক্ষা চলবে ১৮ মে পর্যন্ত। প্রথম পত্র ছিল বিজনেস স্টাডিজ। রাজ্য জুড়ে ১,০৭৬ কেন্দ্রে ৬.৮৪  লক্ষেরও বেশি পরীক্ষার্থী  পরীক্ষায় বসেন।