পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: বাংলাদেশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যার অভিযোগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এই রায়ের পরপরই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘অবিলম্বে প্রত্যর্পণের’ জন্য ভারতের কাছে দাবি জানাল বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। সোমবার ভারত সরকারের কাছে সরকারি ভাবে আবেদন করেছে ইউনূস সরকার।
এদিন বাংলাদেশ বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে এই হস্তান্তর ‘ভারতের জন্য অবশ্যপালনীয় দায়িত্ব’। এই দু’জনকে অন্য কোনও দেশে আশ্রয় দিলে, বাংলাদেশের ইউনূস সরকার তাকে ‘অত্যন্ত অবন্ধুসুলভ আচরণ’ হিসেবে দেখবে।আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল ৪৫৩ পৃষ্ঠার রায় পাঠ শুরু করেন। রায়টি মোট ছয়টি অধ্যায়ে বিভক্ত। অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণা করে জানায়—শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে আনা মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর মধ্যে দুটি অভিযোগে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড এবং একটি অভিযোগে আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। অ্যাপ্রুভার হিসেবে জবানবন্দি দেওয়ায় প্রাক্তন আইজিপি মামুনকে তুলনামূলকভাবে হালকা সাজা হিসেবে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।