আরও পড়ুন:
পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ নাগাল্যান্ডে মৃত্যু মিছিল, রবিবার ভোরবেলা নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে প্রথমে ১২ জন অসামরিক ব্যক্তির মৃত্যু খবর মেলে। কিন্তু বেলা যত গড়িয়েছে মিলেছে একের পর এক মৃতের খবর। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৪। যার জেরে স্থগিত হয়ে গেল নাগ্যাল্যান্ডের বিখ্যাত হর্নবিল উৎসব। করোনার কারণে গতবছর এই বিশ্ববিখ্যাত উৎসব বন্ধ থাকার পর চলতি বছরে ফের আয়োজন করা হয়েছিল নাগা আদিবাসী সংস্কৃতির অন্যতম এই পর্বের।
আরও পড়ুন:
ভারতীয় পর্যটকরা ইনারলাইন পারমিট নিয়ে এই অংশ নিতে পারতেন এই বর্ণময় উৎসবে।
আরও পড়ুন:
২০০০ সাল থেকে নাগা সরকারের পর্যটন, সংস্কৃতি এবং শিল্পকলা দফতর এই উৎসবের এই আয়োজন করে থাকে। নাগাল্যান্ডের যোদ্ধা সম্প্রদায়ের এই উৎসব দারুণ বর্ণময়।
আরও পড়ুন:
নাগাল্যান্ডের রাজধানী কোহিমা শহর থেকে ১২ কিমি দূরত্বে অবস্থিত নাগা হেরিটেজ গ্রাম ‘কিসামা’য় শুরু হয় এই উৎসব। হর্নবিল পাখির নাম থেকেই এই উৎসবের নামকরণ করা হয়।
আরও পড়ুন:
ফলে আপাতত এই উৎসব বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ছয় আধিবাসী সংগঠন বসে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে রাজ্যের রাজধানী কোহিমাতে এই উৎসব শুরু হওয়ার কথা ছিল। প্রস্তুতিও প্রায় শেষ হয়ে যায়। কিন্তু ঘটনার ইস্টার্ন নাগাল্যান্ড পিপলস অর্গানাইজেসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেউ এই উৎসবে অংশ নেবে না। যেখানে তাঁদের এতগুলি মানুষের মৃত্যু হয়ে গেল, সেখানে কীভাবে নাচব আমরা, বিবৃতিতে দাবি সংগঠনের তরফে।
আরও পড়ুন:
আপাতত হিংসা এবং উত্তেজনা যাতে ছড়িয়ে না পরে তার জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে ইন্টারনেট।
আরও পড়ুন:
গোটা ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ন্যায়বিচারও চেয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
রবিবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে, মায়ানমার সীমান্তের কাছে নাগাল্যান্ডের মন জেলার ওটিং-এ। সন্ত্রাসবাদী মনে করে কয়লা খনি থেকে কাজ সেরে ফেরা শ্রমিকদের উপর গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন:
এই ঘটনায় সাধারণের মধ্যে ক্রমেই চড়ছে ক্ষোভের পারদ।সূত্রের খবর উত্তেজিত জনতা জওয়ানদের দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা যাচ্ছে জনতার সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে মৃত্যু হয়েছে এক জওয়ানেরও।
আরও পড়ুন:
সংবাদ সংস্থা সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে একটি পিকআপ ভ্যানে করে ওটিং গ্রামে ফিরছিলেন গ্রামবাসীরা।তখনই সন্ত্রাসবাদী মনে করে জওয়ানরা গুলি চালান।
আরও পড়ুন:
জনতার কাছে শান্ত থাকার আবেদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী নেইফিউ রিও। তিনি টুইট করে লেখেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক ঘটনায় ওটিং-য়ে সাধারণ মানুষের মৃত্যু। মনের ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আহতদের দ্রুত আরোগ্যের কামনা করছি। উচ্চ পর্যায়ের বিশেষ সিট ঘটনার তদন্ত করবে।’
আরও পড়ুন: