পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ ওটিং গুলিকান্ডের জেরে উত্তপ্ত নাগাল্যান্ড ডিসেম্বরের চার থেকেই। দীর্ঘদিন ধরেই আফস্পা বাতিলের দাবি ছিল। ওটিং কান্ডের পর তা আরও জোরালো হয়। অবশেষে সোমবার সেই প্রস্তাব পাশ হল নাগাল্যান্ড বিধানসভায়। কিন্তু ওয়াকিবহাল মহলের মতে রাজ্য বিধানসভায় পাশ হলেও কেন্দ্র কিন্তু এখনও আফস্পা নিয়ে নিজেদের অবস্থানে অনড় আছে।
ডিসেম্বর মাসের ৪ তারিখ জঙ্গি সন্দেহে একটি গাড়িতে গুলিবর্ষণ করে সেনাবাহিনীর কমান্ডোরা। ‘ইন্টেলিজেন্স ফেলিওর’ অর্থাৎ গোয়েন্দা তথ্যে ভুল ও পরিস্থিতি বিচারের গলদের জন্য প্রাণ হারাতে হয় ১৩ জন সাধারণ মানুষকে। পালটা উন্মত্ত জনতার হামলায় প্রাণ হারান এক জওয়ান। তার পর থেকেই অবশ্য উত্তর -পূর্বাঞ্চলের এই রাজ্যটিতে আফস্পা বাতিলের দাবিতে অনড় রয়েছেন রাজ্যের মানুষ।আরও পড়ুন:
কিন্তু কি এই আফস্পা?
যার জন্য উত্ত্র-পূর্বের আরও আরক রাজ্য মণিপুরের মেয়ে শর্মিলা চানু অনশন করেছিলেন ১৬ বছর। কি এই আফস্পা যার বাতিলের দাবিতে সোচ্চার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দারা।আরও পড়ুন:
আফস্পা যার পুরো কথা হল আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট। যাতে
আরও পড়ুন:
বিনা ওয়ারন্টে যে কোন সন্দেহভাজনকে আটক করতে পারে সেনা। বিনা বিচারে তাকে বন্দী করেও রাখা যায়।
এমনকি সেনার গুলিতে কেউ নিহত আফস্পার রক্ষাকবচের জেরে সেনার কোন শাস্তিবিধানও করা যায়না।আরও পড়ুন:
১৯৫৮ সালে এই আফস্পা আইন লাগু করা হয়। মূলত উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, অসম, মেঘালয় এবং ত্রিপুরাতে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন প্রতিহত করতে এই আফস্পা প্রণয়ন করা হয়।
আরও পড়ুন:
এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কি আছে এই আফস্পা আইনে
আরও পড়ুন:
১ এই আইন অনুযায়ী সেনাবাহিনী যে কোন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গুলি করতে পারবে
আরও পড়ুন:
২ বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করতে পারবে
আরও পড়ুন:
৩ বিনা ওয়ারেন্টে যে কোন কারুর বাড়ি গিয়ে তল্লাশি করতে পারবে
আরও পড়ুন:
৪ জঙ্গিদের ঘাঁটি বলে মনে হলে তা উড়িয়ে দিতেও পারবে, কোন জবাবদিহি করতে হবেনা।
আরও পড়ুন:
৫ কোন জওয়ানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যাবেনা।
আরও পড়ুন: