রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না কর্মসূচি ঘিরে মঙ্গলবার সকাল থেকেই জল্পনা তৈরি হয়েছিল। কর্মসূচি আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে দলের অন্দরেও প্রশ্ন উঠেছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে একে একে পৌঁছতে শুরু করেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা।

ধর্নাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক নেতা-নেত্রী।

যদিও খবর লেখা পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাটের বাড়িতেই ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুর ২টো থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ওয়াই চ্যানেলে ধর্না কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী তৃণমূলের তরফে প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, কর্মসূচিকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ।

গোটা এলাকা পুলিশি নজরদারিতে রাখা হয়েছে এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মহিলা পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে।

ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগে প্রথমে রানী রাসমণি রোডে ধর্নার ডাক দিয়েছিল তৃণমূল। তবে সেখানে অনুমতি না মেলায় পুলিশ বিকল্প হিসেবে ওয়াই চ্যানেলের প্রস্তাব দেয়। এ নিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে আপত্তিও তোলা হয়।

তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তোলেন, আগে থেকে কর্মসূচির আবেদন থাকা সত্ত্বেও কেন নতুন করে অনুমতি চাওয়া হচ্ছে। একই সুর শোনা যায় সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলাতেও। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী কণ্ঠস্বরকে দমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

তবে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে দুপুরের দিকে ওয়াই চ্যানেলে জড়ো হতে শুরু করেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। ধর্নাস্থলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা। এখন নজর, কর্মসূচিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে যোগ দেন কি না এবং সেখান থেকে কী বার্তা দেন।