পুবের কলম, মেদিনীপুর: খড়্গপুর আইআইটি ক্যাম্পাসে ফের এক পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গত ১৮ এপ্রিলের রেশ কাটতে না কাটতেই মঙ্গলবার ফের এক ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হলো। মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে দুই মেধাবী ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের ভূমিকা ও পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্রের নাম সোহম হালদার (২২)। তাঁর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের শালবাগান এলাকায়।
সোহম আইআইটি খড়্গপুরের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইলেকট্রিক্যাল কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ECE)-এর চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।আরও পড়ুন:
জানা যায়, সোহম ক্যাম্পাসের পণ্ডিত মদনমোহন মালব্য হলের ৩২৯ নম্বর রুমে থাকতেন। মঙ্গলবার সকাল থেকে তাঁর ঘরের দরজা বন্ধ ছিল। দীর্ঘক্ষণ কোনো সাড়া না পাওয়ায় হলের নিরাপত্তারক্ষীরা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ফ্যানের সাথে সোহমের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে।
দ্রুত তাঁকে বিসি রায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।আরও পড়ুন:
সোহমের এই মর্মান্তিক পরিণতির ঠিক ১০ দিন আগে, অর্থাৎ গত ১৮ এপ্রিল জয়বীর সিং দারিয়া (২১) নামে এক ছাত্রের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল। জয়বীর ছিলেন ম্যানুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। অটলবিহারী বাজপেয়ী হলের সামনে থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। একের পর এক এমন ঘটনায় খড়্গপুর আইআইটি-র মতো প্রথম সারির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার ঘটনা বলে মনে করা হলেও, সোহম কেন এই চরম পথ বেছে নিলেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ মৃতদেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।