আরও পড়ুন:
নেপালে চলতি সপ্তাহে দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। পুলিশের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত সহিংসতায় কমপক্ষে ৫১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন অন্তত ২১ জন বিক্ষোভকারী ও তিনজন পুলিশ সদস্য। গত সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারি নিষেধাজ্ঞা, দুর্নীতি ও দুর্বল শাসনব্যবস্থার প্রতিবাদে দেশজুড়ে আন্দোলন শুরু হয়। পুলিশের দমন-পীড়নে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
মঙ্গলবার বিক্ষোভকারীরা সংসদ ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়। চাপের মুখে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন এবং সেনাবাহিনী শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব নেয়।আরও পড়ুন:
নেপালের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, অস্থিরতার মধ্যে লুট হওয়া ১০০টিরও বেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের অনেককে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল হাতে দেখা গেছে। এ সময় দেশজুড়ে একাধিক কারাগার ভেঙে পালিয়েছে প্রায় ১২ হাজার ৫০০ বন্দী।
তাদের মধ্যে কিছু সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করলে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী অনেককে আটক করে।আরও পড়ুন:
পুলিশ মুখপাত্র বিনোদ ঘিমিরে জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে পালানোর সময় সংঘর্ষে প্রাণ হারানো কয়েকজন বন্দীও রয়েছেন। তিনি বলেন, “বিশৃঙ্খলার পূর্ণ চিত্র এখনও সামনে আসছে, তাই নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।” এদিকে, অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের নেতৃত্ব ঠিক করতে প্রেসিডেন্ট, সেনাবাহিনী ও বিক্ষোভকারীদের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে দ্রুত সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছে সংশ্লিষ্ট মহল।