পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: ভোটচুরির অভিযোগ তুলে নিয়মিত আন্দোলন করলেও নির্বাচনে তার কোনও প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ কংগ্রেস। সম্প্রতি কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ এবং বিহারের ২৮টি বিধান পরিষদ আসনের নির্বাচনে কংগ্রেস একটিতেও জয়লাভ করতে পারেনি। বিশেষ করে কংগ্রেস শাসিত কর্নাটকে দলের এমন শোচনীয় ফল রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শিক্ষক ও স্নাতক ভোটারদের এই বিধান পরিষদ নির্বাচনে কর্নাটকের ৪টি আসনেই জয়ী হয়েছে এনডিএ জোট।

সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে বেঙ্গালুরু টিচার্স কেন্দ্র থেকে, যা উপমুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারের খাসতালুক হিসেবে পরিচিত। সেখানে কংগ্রেসের পাঁচবারের জয়ী প্রার্থী পুট্টান্নাকে হারিয়ে দিয়েছেন বিজেপির জোটসঙ্গী জেডি(এস)-এর এ পি রঙ্গনাথ। পুট্টান্নার ৯ হাজার ৯০২টি ভোটের বিপরীতে রঙ্গনাথ পেয়েছেন ১০ হাজার ৮১০টি ভোট। কর্নাটকের বাকি তিনটি আসনেও জয়লাভ করেছে বিজেপি।

অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশের ১১টি আসনের মধ্যে বিজেপি ৪টিতে এবং সমাজবাদী পার্টি ২টিতে জয়ী হয়েছে, বাকি আসনগুলিতেও কড়া টক্কর চলছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীর শিক্ষক আসনেও পরাজিত হয়েছে বিজেপি। বিহারে প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ পার্টি খাতা খুলেছে এবং কংগ্রেসের জেতা আসনটিও তাদের দখলে গিয়েছে। মহারাষ্ট্রে শরদ পওয়ারের দল খাতা খুললেও সেখানেও শূন্য কংগ্রেস। কংগ্রেসের দাবি, স্থানীয় স্তরের প্রার্থীদের জনপ্রিয়তার উপর নির্ভর করে এই ভোট, তাই এটি সার্বিক জনমতের প্রতিফলন নয়। তবে কর্নাটকের ফলাফল এবং ব্যালট পেপারে ভোট হওয়ার কারণে ইভিএম কারচুপির যুক্তিও এক্ষেত্রে ধোপে টিকছে না বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।