পুবের কলম ওয়েবডেস্ক, ইজরায়েলের আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে জাতীয় নিরাপত্তা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে দেশের তরুণ প্রজন্মের অনেকের কাছে এই ভোট শুধু সরকার বেছে নেওয়ার লড়াই নয়, বরং ব্যক্তিস্বাধীনতা ও পরিবর্তনের দাবিও।
আরও পড়ুন:
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা এবং তার পরবর্তী একাধিক যুদ্ধের পর এই প্রথম নির্বাচনের মুখোমুখি ইজরায়েল। দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে দেশের নিরাপত্তার প্রধান রক্ষাকর্তা হিসেবে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। কিন্তু এ বার তাঁর সেই ভাবমূর্তিই ভোটের ময়দানে প্রশ্নের মুখে।
আরও পড়ুন:
ইজরায়েলের জেরুজালেমের শিক্ষিকা হিলা মালোভানি সংবাদমাধ্যম ‘দ্য প্রিন্ট’-কে বলেন, গত চার বছর, বিশেষ করে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে, ইজরায়েলকে কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। দেশটি ভালো হলেও আরও ভালো হতে পারে। তাই পরিবর্তন প্রয়োজন।
আরও পড়ুন:
নিরাপত্তার প্রশ্নে সাধারণ মানুষের মধ্যে ঐকমত্য থাকলেও রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকটকে নিশানা করে নেতানিয়াহুর অভিযোগ, তিনি ক্ষমতায় এলে দেশের নিরাপত্তা দুর্বল হতে পারে।
আরও পড়ুন:
তবে তরুণ ভোটারদের একাংশের কাছে নিরাপত্তার পাশাপাশি স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকার এবং দেশের ভবিষ্যৎও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।