পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: উপত্যকায় কর্মরত কাশ্মীরি পণ্ডিত কর্মচারীদের টার্গেট করে সাম্প্রতিক আতঙ্ক তৈরির নেপথ্যে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এল। পুলিশি তদন্তে জানা গেছে, এই ভুয়া সন্ত্রাসী হুমকি তৈরির এবং তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার মূল হোতা আসলে এক কাশ্মীরি পণ্ডিত কর্মী নিজেই! সাইবার সন্ত্রাস ও তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহারের অভিযোগে অভিযুক্ত রাকেশ হান্দু নামের ওই ব্যক্তিকে হরিয়ানার ফরিতাবাদ থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
বারামুলার পুলিশ পরিদর্শক সুজিত কুমার জানিয়েছেন, ধৃতের বিরুদ্ধে যথেষ্ট পরিমাণ ডিজিটাল ও তথ্যগত প্রমাণ হাতে এসেছে। আইনি প্রক্রিয়া মেনেই ফরিতাবাদের নিজ বাসভবন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে খবর, গত অগস্ট মাসে কাশ্মীরে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ কর্মসংস্থান প্রকল্পের অধীনে কর্মরত কাশ্মীরি পণ্ডিত কর্মচারীদের নাম এবং মোবাইল নম্বরসহ কিছু কদর্য হুমকির চিঠি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে উপত্যকায় কর্মরত পণ্ডিত কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ওই সময় প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের প্রশাসনিক ছুটিতে থাকতে বলা হয়েছিল এবং ডিউটি থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছিল।
আরও পড়ুন:
পুলিশের তদন্তে জানা যায়, ‘সোলজার্স অফ রেজিস্ট্যান্স’ এবং ‘ইউনাইটেড লিবারেশন কাউন্সিল’ নামক জঙ্গি সংগঠনের নামে এই হুমকি চিঠিগুলি প্রচার করা হয়েছিল। কিন্তু তদন্তে উঠে আসে যে, মূল অভিযোগকারী ও কাশ্মীরি পণ্ডিত কর্মী রোহিত রায়না-র নাম ও অন্যান্য পরিচিতি পরিবর্তন করে ফন্দি এঁটেছিলেন অভিযুক্ত রাকেশ হান্দুই। সামাজিক মাধ্যম ‘এক্স’-এ বারবার এই ধরনের উসকানিমূলক ইলেকট্রনিক কন্টেন্ট বিকৃত করে ছড়িয়ে দেওয়ার ফলে রোহিত রায়নার নিরাপত্তা নিয়ে মারাত্মক আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।