পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: রাজস্থানের কোটায় ফের এক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রার্থীর আত্মহত্যার মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল। যৌথ প্রবেশিকা পরীক্ষা বা জেইই-র প্রস্তুতির জন্য রাজস্থানের এই কোচিং হাবে আসা মাত্র ১৬ বছর বয়সী এক কিশোর নিজের পেয়িং গেস্ট আবাসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সোমবার পুলিশ এই ঘটনার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃত কিশোর মধ্যপ্রদেশের শিবপুরী এলাকার বাসিন্দা ছিল। মাত্র ছয় মাস আগে সে প্রকৌশল প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রস্তুতির উদ্দেশ্যে কোটায় এসে মহাবীর নগর-১ এলাকার একটি পিজি আবাসে থাকতে শুরু করে।
আরও পড়ুন:
মহাবীর নগর এলাকার ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ মণীশ শর্মা জানিয়েছেন, গভীর রাতে খবর পাওয়ার পরই পুলিশের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দেহটি উদ্ধার করে এমবিএস হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। সোমবার সকালে ময়নাতদন্তের পর কিশোরের দেহ তার পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
পিজি আবাসের অন্যান্য সহপাঠীরা পুলিশকে জানিয়েছে, রাতের খাবারের পর সাধারণত ছাত্ররা বাইরে হাঁটতে যেত। কিন্তু রবিবার রাতে ওই ছাত্র তার ঘর থেকে বের হয়নি।
দীর্ঘ সময় কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে অন্য ছাত্ররা বেশ কয়েকবার দরজা ধাক্কা দেয়, কিন্তু কোনো সাড়া না পেয়ে তারা পিজি মালিক ও পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে ঘরের দরজা ভেঙে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে।আরও পড়ুন:
কিশোরের শোকাহত পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানিয়েছেন, তার ওপর পড়াশোনা বা পরিবারের তরফ থেকে কোনো মানসিক চাপ ছিল না। বাড়িতেও কোনো ধরনের পারিবারিক সমস্যা ছিল না। পরিবারের সঙ্গে তার শেষ যখন ফোনে কথা হয়, তখন সে জানিয়েছিল যে তার একটি পরীক্ষা রয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, ছাত্রটি পরীক্ষায় কেন অনুপস্থিত ছিল বা কোচিং ক্লাসে যাচ্ছিল না—সে বিষয়ে ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে অভিভাবকদের কোনো ধরনের আগাম তথ্য বা সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে কোটা পুলিশ।