পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: আগামী ১লা নভেম্বর দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের প্রস্তাবিত মেগা সমাবেশ রয়েছে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীসহ জোটের শীর্ষ নেতারা এই সমাবেশ সফল করতে সমস্ত বিরোধী দল ও কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানালেও, স্পষ্ট দূরত্ব বজায় রাখার কথা ঘোষণা করলেন অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (মিম) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি।
আরও পড়ুন:
সমাবেশ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে হায়দরাবাদের সাংসদ সাফ জানিয়ে দেন, এই সমাবেশের সাথে তাঁর বা তাঁর দলের কোনো সম্পর্ক নেই। নির্বাচনী তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সংক্রান্ত বিরোধী আন্দোলনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "এই সমাবেশের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।
আমি আদালত কক্ষে এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আইনি লড়াই লড়ছি। শুরু থেকেই এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আমি একাধিক মৌলিক প্রশ্ন তুলেছি এবং আজও আমি আমার সেই অবস্থানেই অনড়। তা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগ বা নির্বাচন প্রক্রিয়াই হোক কিংবা তাঁকে দেওয়া আইনি সুরক্ষাই হোক—আমি এই দুটিরই তীব্র বিরোধী।"আরও পড়ুন:
সম্প্রতি জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া এবং জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণের দেওয়ালে বিতর্কিত এবং আপত্তিজনক গ্রাফিতি লেখা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ওয়েসি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তীব্র সমালোচনা করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে এসব আপত্তিজনক লেখা লেখার জন্য কে দায়ী? জামিয়া ও জেএনইউ-এর উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রার—উভয়েই আরএসএস-এর 'মুসলিম রাষ্ট্র মঞ্চ'-এর সদস্য। প্রশাসনের শীর্ষপদে বসে থাকা এই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেই প্রথম কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। জামিয়ার শিক্ষার্থীরা যে দাবি তুলেছে, তা মোটেই অবৈধ বা অযৌক্তিক নয়; তাদের দাবি পুরোপুরি সঠিক ও সঙ্গত।"