পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ভোটার তালিকায় এক ভোটারের নাম ১০ বার নথিভুক্ত থাকার বিস্ফোরক অভিযোগের পর বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করল উত্তরপ্রদেশের প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়। সমাজবাদী পার্টির আনা এই অভিযোগের সত্যতা অনুসন্ধানের পর ৩৪৭-আজমগড় বিধানসভা কেন্দ্রের ৫ জন নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা এবং বিভাগীয় তদন্ত শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শনিবার উত্তরপ্রদেশ সিইও কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।
আরও পড়ুন:
গত ১৫ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে সমাজবাদী পার্টি অভিযোগ তোলে, আজমগড় বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় ‘বিকাশ যাদব’ নামের এক ভোটারের নাম অনিয়ম করে ১০ বার নথিভুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগ গুরুত্বের সাথে নিয়ে আজমগড়ের জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে থেকে বিস্তারিত তদন্ত রিপোর্ট তলব করে সিইও কার্যালয়।আরও পড়ুন:
তদন্ত রিপোর্টে দেখা যায়, ওই বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় হিন্দিতে ‘বিকাশ যাদব’ নামে মোট ১৩টি এন্ট্রি ছিল। নিয়ম অনুযায়ী ২টি এন্ট্রি আগেই তালিকা থেকে মুছে ফেলা হয়েছিল। ১টি এন্ট্রি গোরক্ষপুর জেলার চৌরি-চৌরা বিধানসভা কেন্দ্রের এক ভিন্ন ব্যক্তির, যাঁর নাম ও বাবার নাম একই হলেও তিনি অন্য ব্যক্তি।
বাকি ১১টি এন্ট্রির মধ্যে ১ জন প্রকৃত বিকাশ যাদব এবং বাকি ১০টি আজমগড়ের বিভিন্ন গ্রামের ১০ জন পৃথক ব্যক্তির। মূল সমস্যাটি ঘটেছে তাঁদের নাম ও বিবরণে মারাত্মক ভুল নথিভুক্ত করার কারণে। আসল বিকাশ যাদব ছাড়া বাকি ১০ জনের নাম ও বিবরণ সংশোধনের জন্য ইতিমধ্যে ‘ফর্ম ৮’ জমা নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন:
ভোটার তালিকা তৈরিতে চরম গাফিলতি ও তদারকিতে শিথিলতার দায়ে ৫ কর্মকর্তাকে জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ধারা ৩২-এর অধীনে নোটিশ জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি দায়িত্বে অবহেলার জন্য তৎকালীন ইআরও এবং দুই এআইআরও-র বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত ও চার্জশিট পেশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।