পুবের কলম ওয়েবডেস্ক, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সেই প্রতিবাদের জেরেই এবার তিহাড় জেলে পাঠানো হল দলের দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে। বুধবার, ১৪ অক্টোবর, দিল্লির মন্দির মার্গের বিশেষ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পেশ করার পর তাঁদের পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁদের তিহাড় জেলে পাঠানো হয়।


বিতর্কের কেন্দ্রে দিল্লির যন্তর মন্তর।

দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও নাগরিক প্রতিবাদের পরিচিত এই জায়গাটিকে ১২ অক্টোবর বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থানগুলির তালিকা থেকে বাদ দেয় দিল্লি পুলিশ। বিকল্প হিসেবে রামলীলা ময়দান, বুরারি গ্রাউন্ড ও সিবিডি গ্রাউন্ডের কথা জানানো হয়। পুলিশের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সিজেপি। 


১৩ অক্টোবর সিজেপির সদস্যরা যন্তর মন্তরে ঢোকার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, তাঁরা ব্যারিকেড টপকে ভিতরে যাওয়ার চেষ্টা করেন এবং জাতীয় পতাকা হাতে স্লোগান দেন।

এর পরেই কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের ভূমিকা এবং প্রতিবাদের অধিকার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।


সিজেপির আইন বিভাগের প্রধান রত্না সিংয়ের অভিযোগ, আটক নেতাদের দীর্ঘ সময় আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। পরে রাতের দিকে তাঁদের ব্যক্তিগত গাড়িতে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি। 


এর আগেও ১০ অক্টোবর দিল্লি বিমানবন্দরে সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা ও দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকেকে আটক করা হয়েছিল। পরে ৫০ হাজার টাকার মুচলেকায়  তাঁদের ছাড়া হয়।