পুবের কলম, নয়াদিল্লি: মানবাধিকার কর্মী নাদিম খানকে আটক করার অভিযোগে দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলল দিল্লি হাই কোর্ট। সোমবার আদালত জানতে চায়, পুলিশের দায়িত্ব পালনের অধিকার থাকলেও কোনও আইনি কারণ ছাড়া কী ভাবে এক ব্যক্তির বাড়িতে ঢুকে তাঁর চলাফেরায় বাধা দেওয়া যায়? যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়া আটকাতে গত ২৯ সেপ্টেম্বর তাঁকে আটকে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ।
নাদিম খান অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রোটেকশন অফ সিভিল রাইটসের (এপিসিআর) জাতীয় সম্পাদক।
বিচারপতি নীতিন বাসুদেও সামব্রে ও বিচারপতি সঞ্জয় শর্মার ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির সময় পুলিশ জানায়, নাদিমকে আটক করা হয়নি, কেবল খোঁজখবর নিতে গিয়েছিলেন আধিকারিকেরা। প্রতিবাদ কর্মসূচির অনুমতি না মেলায় এবং সেখানে যোগ দেওয়ার খবর থাকায় পুলিশ তাঁর গতিবিধির উপর নজর রেখেছিল বলে দাবি করা হয়।
নাদিমের আইনজীবী শাহরুখ আলমের বক্তব্য, কোনও লিখিত নির্দেশ বা নোটিস ছাড়াই পুলিশ তাঁর মক্কেলের বাড়ি ও দফতরে ছিল। পরে তাঁর উপর নজরদারি এবং ফোন করে অবস্থান জানতে চাওয়াও চলতে থাকে। আদালত দিল্লি পুলিশকে নোটিস দিয়ে দু’সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে। নাদিমকে আর ফোন করা হবে না বলে পুলিশের আইনজীবী যে আশ্বাস দিয়েছেন, তা-ও নথিভুক্ত করেছে আদালত।