ইরানের বিরুদ্ধে আপাতত নতুন করে কোনও সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেই বলে জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা নিয়ে জল্পনা বাড়লেও, সেদিন কোনও হামলা চালানো হচ্ছে না বলে স্পষ্ট করেন তিনি। তবে তেহরানের সঙ্গে সংঘাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনও কাটেনি।
আরও পড়ুন:
রবিবার মিশিগানে নির্বাচনী প্রচারে যোগ দিতে হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ট্রাম্প।
ইরানে সেদিন হামলা চালানো হবে কি না, জানতে চাওয়া হলে তিনি রসিকতা করে বলেন, ‘‘আমি কি আপনাদের আগেভাগে সব জানিয়ে দেব?’’ এরপরই স্পষ্টভাবে জানান, সেদিন কোনও হামলা চালানো হচ্ছে না।আরও পড়ুন:
তবে এর আগে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তেহরানের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছনো, নাকি সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে সংঘাতের অবসান ঘটানো—এখন ওয়াশিংটনের সামনে সেই সিদ্ধান্তই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুন:
একই সঙ্গে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক শক্তির আধিপত্যের দাবি করেন ট্রাম্প। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, ওই অঞ্চলে ইরানের বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সুবিধা নেওয়ার সুযোগ বর্তমানে সীমিত হয়ে পড়েছে।
আরও পড়ুন:
এর আগে শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ইরানের বিরুদ্ধে ফের সামরিক অভিযান চালানোর সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন ট্রাম্প।
একই সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটি কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছনোর সম্ভাবনাও খোলা রেখেছিলেন তিনি। তবে ইরান ভবিষ্যতে কোনও প্রতিশ্রুতি দিলে তা কতটা পালন করবে, সেই বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। পরবর্তী সময়ে দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক হামলার সম্ভাবনা নাকচ করলেও, ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রাখছেন পর্যবেক্ষকরা।