পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: আমেরিকার চরম আর্থিক ও বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার কোপে পড়ার আশঙ্কায় গত অগস্ট মাসের শুরু থেকেই ইরানি বিমানকে ভারতীয় আকাশে প্রবেশ এবং এখান থেকে ওষুধ পরিবহনের অনুমতি দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে ভারত সরকার। এর ফলে জরুরি ভিত্তিতে ইরানের জন্য বরাদ্দ বিপুল পরিমাণ জীবনদায়ী ওষুধ ভারতে আটকে পড়েছে। যা দু'দেশের মধ্যে তৈরি করেছে এক নতুন কূটনৈতিক জটিলতা।
আরও পড়ুন:
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেশ কয়েক টন ওষুধ নিয়ে যাওয়ার জন্য নির্ধারিত 'মাজান এয়ার'-এর একটি বিশেষ বিমান দীর্ঘদিন ধরে ভারতের কাছ থেকে অবতরণের অনুমতি পায়নি।
বিকল্প হিসেবে ভারত সরকার আর্মেনিয়া বা আজারবাইজান হয়ে সড়কপথে ওষুধ পরিবহনের প্রস্তাব দিলেও, তেহরান সরাসরি বিমান চলাচলের দাবিতেই অনড় রয়েছে। গত ১৯ অক্টোবর তেহরানে এক সাংবাদিক সম্মেলনে 'ইরান এয়ার'-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর তাহের আবদোলহাই নিশ্চিত করেন, মুম্বাই এবং সিঙ্গাপুর থেকেও তাঁদের ওষুধবাহী বিমানের অনুমতি মেলা বন্ধ হয়ে গেছে।আরও পড়ুন:
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ জড়িয়ে পড়ার পর নিয়মিত যাত্রীবাহী বিমান পরিষেবা স্তব্ধ হয়ে যায়। তা সত্ত্বেও মানবিক খাতিরে ভারত সরকার প্রতি দুই সপ্তাহে অন্তত একবার 'মাজান এয়ার'-কে ওষুধ বহনের বিশেষ অনুমতি দিয়ে আসছিল। কিন্তু ওয়াশিংটনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়, যেকোনো দেশীয় সংস্থা যদি ইরানি বিমানকে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং বা অন্যান্য সুবিধা দেয়, তবে তাদের মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করা হতে পারে।