পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: পুজোর ছুটি কাটলেই রাজ্যে প্রাথমিক এবং নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গতি আসতে চলেছে। স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) এবং প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, নভেম্বরের মধ্যেই বাকি থাকা ইন্টারভিউয়ের কাজ শেষ করতে বদ্ধপরিকর কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে শূন্যপদের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজারের কাছাকাছি।
২০২৫ সালের এপ্রিলে শীর্ষ আদালত ২০১৬ সালের প্যানেল বাতিল করে দেয়। এরপর ওই বছরের সেপ্টেম্বরে এসএসসি নবম থেকে দ্বাদশ স্তরের শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা নিলেও বিধানসভা নির্বাচনের কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়নি।

সরকার পরিবর্তনের পর নতুন সংরক্ষণ নীতির জেরে প্রক্রিয়াটি থমকে যায়। গত সেপ্টেম্বরে পুরনো প্যানেল বাতিল করে নতুন সংরক্ষণ আইন মেনে এসএসসি ফের তালিকা প্রকাশ করে, যেখানে শূন্যপদ একই থাকলেও প্রায় ২৭৮০ জনের নাম বাদ যায় এবং নতুন ২৭৮৪ জনের নাম যুক্ত হয়। নতুন তালিকা অনুযায়ী কয়েকটি বিষয়ের ইন্টারভিউ পুজোর আগেই সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকিগুলো নভেম্বরের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন এক কমিশন কর্তা। শীর্ষ আদালত ২০২৭ সালের ৩১ মে পর্যন্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে।
অন্যদিকে, প্রাথমিক স্তরের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াও আটকে ছিল।
২০২২ সালে টেট উত্তীর্ণদের জন্য ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ১৩,৪২১টি শূন্যপদের জন্য ইন্টারভিউ শুরু হয়। তবে নির্বাচনের কারণে তা স্থগিত হয়ে যায়। গত ১৪ অক্টোবর পর্ষদ সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর রবিরঞ্জন সেন জানিয়েছেন, নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই বাকি থাকা ইন্টারভিউ শুরু হতে পারে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী যাঁদের ইন্টারভিউ হয়ে গিয়েছে, তাঁদের শুধুমাত্র সংরক্ষণ সংক্রান্ত তথ্য সংশোধন করতে হবে, নতুন করে ইন্টারভিউ দিতে হবে না। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রার্থীরা নিজেদের জাতিগত তথ্য সংশোধনের সুযোগ পাবেন।