পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: তিব্বত ও চিন সংলগ্ন অঞ্চলে ৭ মাত্রার এক ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। চিনের আর্থকুয়েক নেটওয়ার্ক সেন্টার বা সিইএনসি জানিয়েছে, ভারতীয় সময় রাত ৮টা ৩ মিনিটে (স্থানীয় সময় ১০টা ৩৩ মিনিটে) এই তীব্র কম্পন অনুভূত হয়। তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে ৪০০ কিলোমিটার দূরে এবং ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বলে জানা গিয়েছে।
মাস দেড়েক আগে নেপাল ও চিনের তিব্বত সীমান্ত সংলগ্ন পার্বত্য অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস হয়েছিল। বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, অগস্টের শেষের দিকে ওই এলাকায় হিমবাহ ধসে পড়ার কারণেই নেপালের নদী তীরবর্তী উপত্যকাগুলিতে ওই প্রলয়ংকরী হড়পা বান ও ভূমিধসের সৃষ্টি হয়।

সেই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ১৪০০-রও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল এবং হাজার হাজার স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। নেপালের প্রধানমন্ত্রী খড়্গপ্রসাদ শর্মা ওলি সম্প্রতি আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে নিখোঁজদের হয়তো আর কোনও দিনও খুঁজে পাওয়া যাবে না।
নেপালের সেই ভয়াবহ বিপর্যয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই তিব্বতে এই নতুন ও শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানায় বিজ্ঞানীদের কপালে ভাঁজ পড়েছে। এর আগে বিজ্ঞানীরা তিব্বতের পাহাড়ের ভূমিকম্পের সঙ্গে নেপালের হড়পা বান ও ভূমিধসের যোগসূত্রের কথা উল্লেখ করেছিলেন। ফলে নতুন করে এই ৭ মাত্রার কম্পনের জেরে ফের হিমবাহ ধসে পড়ে বড়সড় কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।