পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে যুবসমাজের নেতৃত্বাধীন শান্তিপূর্ণ গণবিক্ষোভের ওপর বারবার “কঠোর ও অতিরিক্ত পুলিশি বলপ্রয়োগের” অভিযোগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেন জাতিসংঘের ২০ জনেরও বেশি মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এক যৌথ বিবৃতিতে তাঁরা আন্দোলনকালে সংঘটিত সম্ভাব্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিরপেক্ষ তদন্ত ও সুবিচারের দাবি জানান। তবে জাতিসংঘের এই বিবৃতিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে “অনভিপ্রেত এবং অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ” আখ্যা দিয়ে কড়া ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছে নয়া দিল্লি।
 
এর আগে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনারের দপ্তর নয়া দিল্লিতে বড় মাপের বিক্ষোভ চলাকালীন এবং তার আগে সিভিল সোসাইটি সংস্থার সদস্য, আইনজীবী, সাংবাদিক, গণআন্দোলনের নেতা ও সাধারণ আন্দোলনকারীদের ঢালাওভাবে আটকের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।

গত সপ্তাহে জাতিসংঘের একজন মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ ভারতের তরুণ প্রজন্মের গড়ে তোলা একটি সামাজিক-রাজনৈতিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আন্দোলনকারীদের ওপর প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপের অভিযোগ এনে রিপোর্ট জমা দেন। তবে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক ওই রিপোর্টকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে খারিজ করে দিয়েছিল।
 
মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ভারতের প্রতিনিধি বরখা তাম্রকার (বিদেশ মন্ত্রকের উপ-সচিব) স্পষ্ট করে জানান, মানবাধিকারের ইস্যুকে কখনোই কোনো দেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি বা সিলেক্টিভ টার্গেটের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা উচিত নয়। বরখা তাম্রকার বলেন, "ভারত সবসময় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কাঠামোর সাথে ইতিবাচক সংযোগ বজায় রাখে। তবে এই ধরনের আলোচনা ও সহযোগিতা অবশ্যই সংলাপে সম্মতি, অ-পক্ষপাতিত্ব ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে হতে হবে।"