পুবের কলম ওয়েবডেস্ক, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রবিবার ফের আন্দোলনে নামার ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। শনিবার দিল্লিতে ব্যাপক ধরপাকড়ের পরেও আন্দোলন থেকে সরতে নারাজ দলটি। রবিবার আবার যন্তরমন্তরে যাওয়ার ডাক দিয়েছে তারা। এই পরিস্থিতিতে রাজধানীর অন্তত ৩০টি জায়গায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

শনিবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে আটক হন প্রায় ৬ হাজার মানুষ। তাঁদের মধ্যে ছিলেন বিরোধী নেতানেত্রী ও সমাজকর্মীরা। অরবিন্দ কেজরীওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন, যোগেন্দ্র যাদব, প্রশান্ত ভূষণ এবং ছাত্রনেত্রী নেহা বোরাও আটক হন। পরে নেহা-সহ অনেককে ছেড়ে দেওয়া হলেও সিজেপির কয়েক জন নেতা আটক ছিলেন।

ধ্রুব রাঠীকেও গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে আটক করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

যন্তরমন্তর বন্ধ থাকায় বিক্ষোভকারীরা দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট দলে প্রতিবাদ জানান। যোগেন্দ্র যাদবের দাবি, একটি জায়গায় বিক্ষোভ আটকে দেওয়ার চেষ্টা হলেও রাজধানীর নানা প্রান্তে প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে। সিজেপি জানিয়েছে, জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

রবিবার সকাল ৬টা থেকে পরিস্থিতি অনুযায়ী যান ঘুরিয়ে দেওয়া হতে পারে। কনট প্লেস, মণ্ডি হাউস, যন্তরমন্তর রোড, প্যাটেল চক, রেল ভবন ও আরএমএল হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাস বা বিমানবন্দরে যাওয়ার জন্য হাতে অতিরিক্ত সময় নিয়ে বেরোনোর পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ।

এদিকে, বিক্ষোভকারীদের গণহারে আটকের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার দফতর। শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার রক্ষার আহ্বান জানানো হয়েছে। ভারত সরকার অবশ্য এই উদ্বেগকে দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপ বলে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।