পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: ভোটচুরির অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপি-র ডাকা বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে শনিবার দিনভর উত্তপ্ত রইল রাজধানী দিল্লি। যন্তর মন্তরে কর্মসূচি শুরুর আগেই সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস-সহ একাধিক নেতাকে আটক করে পুলিশ। একই সঙ্গে আটক করা হয় চার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকেও। সেই তালিকায় রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শনিবার দুপুরে দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউতে নিজের বাসভবনের সামনে ধরনায় বসেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
পরবর্তী সময়ে তাঁদের দিল্লির দ্বারকা নর্থ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পৌঁছেই পুলিশের বিরুদ্ধে সরাসরি ‘অপহরণের’ অভিযোগ তোলেন মমতা। সমাজমাধ্যমে একটি বার্তা প্রকাশ করে তিনি দাবি করেন, বিকেল চারটেয় চারজন সাংসদ-সহ তাঁকে ওই থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, তাঁদের কার্যত অপহরণ করে প্রিজন ভ্যানে তুলে টানা দু’ঘণ্টা ধরে দিল্লির রাস্তায় ঘোরানো হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে তিনি থানা চত্বরেই ধরনায় বসে পড়েন।
শনিবার রাতেই কলকাতায় ফিরে আসার কথা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ থানায় আটক থাকার কারণে তাঁর বিমান ধরা সম্ভব হয়নি। এর পরেই তিনি কলকাতায় ফেরার সিদ্ধান্ত বাতিল করে সোমবার পর্যন্ত দিল্লিতেই থাকার কথা ঘোষণা করেন। মমতা স্পষ্ট জানান, আগামী সোমবার দিল্লিতে ‘ইন্ডি’ জোটের যে যৌথ প্রতিবাদ মিছিল রয়েছে, তিনি সেই কর্মসূচিতে সরাসরি অংশ নেবেন। অন্য দিকে, তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন দিল্লি ছেড়ে কলকাতায় ফিরলেও সোমবারের কর্মসূচিতে যোগ দিতে তিনিও আবার রাজধানীতে ফিরে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।