পুবের কলম ওয়েবডেস্ক, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ডাক ঘিরে শনিবার দিল্লিতে নিরাপত্তার নজিরবিহীন আয়োজন করেছে পুলিশ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া প্রত্যাহারের দাবিতে যন্তর মন্তরে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সেই জমায়েত সামলাতে বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মীর পাশাপাশি বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে মহিলা পুলিশবাহিনীকে।


পুলিশ সূত্রে খবর, নিরাপত্তার দায়িত্বে ২৩ হাজার দিল্লি পুলিশকর্মী এবং ২২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের মোকাবিলায় সামনের সারিতে থাকবেন ৩৫০০ মহিলা পুলিশকর্মী। তাঁদের পোশাকে থাকবে সুরক্ষার বিশেষ সরঞ্জাম এবং বডি ক্যামেরা। বিক্ষোভ চলাকালীন কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে ক্যামেরায় ধরা পড়া ছবি তদন্তে প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগতে পারে।


শুক্রবার যন্তর মন্তর চত্বরের ছবিও ছিল অন্য দিনের তুলনায় আলাদা।

চা ও ফলের দোকানদারদের দেখা মেলেনি, এলাকায় ছিল সশস্ত্র বাহিনীর উপস্থিতি। বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে ৩ অক্টোবর আবেদন করেছিল সিজেপি। কিন্তু নির্ধারিত সময়সীমা মেনে আবেদন না করায় দিল্লি পুলিশ কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি।
তবে অনুমতি না পেলেও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অনড় সিজেপি নেতা সৌরভ দাস।
তাঁর বক্তব্য, প্রতিবাদ করার জন্য পুলিশের অনুমতি নেওয়া কেন প্রয়োজন, সেই প্রশ্ন রয়েছে। আন্দোলন দীর্ঘায়িত হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।


বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লির ১০টি জায়গায় আটক ব্যক্তিদের রাখার কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। যন্তর মন্তরের চার কিলোমিটার এলাকার মধ্যে ইন্টারনেট পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা, ৩৫টি রাস্তায় ব্যারিকেড বসানো এবং সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারির পরিকল্পনা রয়েছে। নিরাপত্তার এই বিপুল আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস নেতা কে সি বেণুগোপাল। তাঁর কটাক্ষ, দেশে কি অঘোষিত জরুরি অবস্থা চলছে?