ইসরায়েলে আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কি আবারও ক্ষমতায় ফিরবেন, নাকি এবার তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রায় ছেদ পড়বে—তা নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। বিভিন্ন জনমত জরিপ ও অনলাইন প্রেডিকশন মার্কেটে উঠে আসছে নানা ইঙ্গিত।
আরও পড়ুন:
নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট সরকার টানা চার বছরের মেয়াদ পূর্ণ করেছে।
ইসরায়েলের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে এটি একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করা এই সরকার ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা, গাজা যুদ্ধ এবং পরবর্তী সময়ে ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতসহ নানা সংকটের মধ্যেও টিকে ছিল।আরও পড়ুন:
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ইউওনের এক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গোল্ডা মেয়ার-এর পর নেতানিয়াহুই দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী, যিনি আগাম সরকার পতন এড়িয়ে পুরো পার্লামেন্টারি মেয়াদ সম্পন্ন করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ১৭ জুলাই ইসরায়েলের ২৫তম নেসেট নির্ধারিত চার বছরের মেয়াদ শেষে বিলুপ্ত হয়।
আরও পড়ুন:
তবে আসন্ন নির্বাচনে নেতানিয়াহুর সামনে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারেন সাবেক সেনাপ্রধান গাডি আইজেনকোট। এক বছর আগে গঠিত মধ্যপন্থি জায়নবাদী দল ‘ইয়াশার’-এর প্রধান হিসেবে তিনি নির্বাচনী লড়াইয়ে রয়েছেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা অনলাইন প্রেডিকশন প্ল্যাটফর্ম পলিমার্কেটের হিসাব অনুযায়ী, আইজেনকোটের জয়ের সম্ভাবনা ৪৮ শতাংশ এবং নেতানিয়াহুর ৩৫ থেকে ৩৬ শতাংশ দেখানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
তবে প্রেডিকশন মার্কেটের হিসাব নির্বাচনের নিশ্চিত ফল নয়। শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায়, জোট গঠনের সমীকরণ এবং নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনই নির্ধারণ করবে ইসরায়েলের পরবর্তী সরকারের নেতৃত্ব কার হাতে যাবে।