পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ভোটার তালিকায় ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় কারচুপি ও ‘ভোট চুরি’র অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোট ও কংগ্রেসের রাজপথের আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে চলা এই আন্দোলনে সিইসি-র বাসভবন ও পরিবারের অন্য ঠিকানায় বিক্ষোভ পৌঁছে যাওয়ায় তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হলো। আগে থেকেই জেড প্লাস নিরাপত্তা পাওয়া জ্ঞানেশ কুমারের সুরক্ষায় এখন ২৪ ঘণ্টার বিশেষ পুলিশি প্রহরা ও অতিরিক্ত বল মোতায়েন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
দিল্লিতে নিবার্চন কমিশন ভবন, সিইসি-র সরকারি বাসভবন এবং তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।
বর্তমান হুমকি পর্যালোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।আরও পড়ুন:
কংগ্রেস ও বিরোধী দলগুলির আন্দোলন দ্বিতীয় দিনে পড়তেই রাজধানীর রাজপথে একাধিক নাটকীয় মুহূর্ত তৈরি হয়। শ্যাগ্রি-লা হোটেলের সামনের গোলচত্বরে পুলিশ বিরোধী সাংসদদের পথ আটকালে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে বাস মিছিল ও আকস্মিক ধর্না অবস্থান শুরু হয়। এই ধর্নাতেই হাতে সংবিধানের কপি আঁকড়ে ধরে রাজপথে শুয়ে পড়েন কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রাসহ একাধিক মহিলা নেত্রী।
আরও পড়ুন:
লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বলেন, "সংবিধান ও গণতন্ত্রকে বাঁচাতে কংগ্রেস দল ও বিরোধী জোট যতবার প্রয়োজন রাজপথে নামতে, গ্রেফতার হতে কিংবা আইনি মামলার সম্মুখীন হতে পুরোপুরি প্রস্তুত। জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত এই আন্দোলন থামবে না। এটি দেশের সবচেয়ে পবিত্র আমানত রক্ষার লড়াই। নরেন্দ্র মোদী বা অমিত শাহের কোনো পদক্ষেপই আমাদের থামাতে পারবে না।"