পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে এবার উত্তাল হয়ে উঠল তিলোত্তমার রাজপথ। বুধবার দুপুরে কলকাতায় কংগ্রেসের 'জ্ঞানেশ হটাও' অভিযানের অঙ্গ হিসেবে আয়োজিত লোকভবন ঘেরাও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় চত্বর। লোকভবনের মূল ফটকের আগেই ব্যারিকেড ও গার্ডরেল দিয়ে কংগ্রেস কর্মীদের আটকে দেয় পুলিশ। আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করতেই পুলিশের সঙ্গে কার্যত খণ্ডযুদ্ধ ও ব্যাপক ধস্তাধস্তি শুরু হয়।

প্রতিরোধের মুখে দলীয় পতাকা ও প্ল্যাকার্ড হাতে রাস্তায় শুয়ে পড়ে স্লোগান দিতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। শেষ পর্য

ন্ত পুলিশ আন্দোলনকারীদের চ্যাংদোলা করে একের পর এক প্রিজন ভ্যানে তুলে এলাকা খালি করে দেয়। আটক কর্মীদের অভিযোগ, পূর্বানুমতি থাকা সত্ত্বেও পুলিশ অন্যায়ভাবে তাঁদের গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে।
রাজধানী দিল্লির আন্দোলনের রেশ টেনেই এদিন কলকাতায় বিক্ষোভের ঝাঁঝ বাড়ায় প্রদেশ কংগ্রেস।

এর আগে মঙ্গলবার দিল্লিতে সংসদ ভবন থেকে নির্বাচন কমিশন ভবন পর্যন্ত সম্মিলিত বিরোধী সাংসদদের নিয়ে পদযাত্রা করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। দিল্লি পুলিশ মিছিল আটকে দিলে কমিশনের উলটো দিকে আকাশবাণী ভবনের সামনে সারাদিন অবস্থানে বসেন বিরোধী সাংসদরা। অবশেষে সন্ধ্যায় দিল্লি পুলিশ ধরনা ভেঙে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ শীর্ষ কংগ্রেস নেতাদের আটক করে হেফাজতে নেয়। রাজধানীতে এই ধরপাকড় এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে দেশজোড়া প্রতিবাদের আবহেই এদিন কলকাতার রাজপথে লোকভবন ঘেরাও অভিযানে নামে কংগ্রেস, যা ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়েছে।