পুবের কলম ওয়েবডেস্ক, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রত্যাহারের দাবিতে শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার জন্য ছাত্র সংগঠন, সামাজিক কর্মী ও কৃষক সংগঠনগুলিকেও আহ্বান জানানো হয়েছে। বিক্ষোভে যোগ দিতে আসা অন্তত দু’জনকে যন্তর মন্তরের কাছে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার সকাল ১০টায় বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ‘গণতন্ত্র বাঁচানোর শেষ ডাক’ পোস্টার প্রকাশ করেছিল সিজেপি।

তবে শুক্রবার দিল্লি পুলিশ কর্মসূচির অনুমতি দিতে অস্বীকার করে। পুলিশের যুক্তি, আগের বিক্ষোভে অনুমতির শর্ত মানা হয়নি এবং এবারের কর্মসূচির জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন জমা দেওয়া হয়নি।

জানা যায়, বিক্ষোভে যোগ দিতে পারেন, এমন সন্দেহে শুক্রবার রাতে দিল্লির ১৫টি জেলায় অন্তত ১০০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। অন্যদিকে, বিক্ষোভে যোগ দেওয়া আটকাতে ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।

জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার এনএসইউআই সম্পাদক ইবিন বাসিলের দাবি, শুক্রবার রাতে জামিয়ার কাছে একটি উবার থেকে চার ছাত্রীকে আটক করা হয়। তাঁদের খোঁজে থানায় গেলে ছাত্র সংগঠনের সদস্যদেরও আটক করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরে রাত ৩টের দিকে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) প্রবেশপথে ব্যারিকেড বসানো নিয়েও প্রতিবাদ জানান পড়ুয়ারা।

এ দিন বিক্ষোভে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লির পথে রওনা হয়েছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। তাঁর বক্তব্য, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। আটক বা গ্রেফতার করা হলেও প্রতিবাদ থামানো উচিত নয়। তাঁর কথায়, এই আন্দোলন কোনও ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নয়, সংবিধান রক্ষার স্বার্থে।

বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। একাধিক মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা, ট্রেন বাতিল এবং কিছু এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা সীমিত করার খবরও পাওয়া গিয়েছে।