মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে মন্তব্য করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। শনিবার তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রভাব ও ক্ষমতা ক্রমশ কমছে এবং শীঘ্রই সরকারের পতন হতে পারে। তবে এই দাবির ভিত্তি হিসেবে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য বা প্রমাণ প্রকাশ করেননি তিনি।
আরও পড়ুন:
শুক্রবার সংসদের সংবিধান ভবনের সেন্ট্রাল হলে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের একটি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রাহুল।
শনিবার প্রকাশিত সেই বক্তব্যের ভিডিওতে তাঁকে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, তাঁদের বিক্ষোভ সরকারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ তৈরি করেছে। তাঁর দাবি, ভবিষ্যতে বিরোধীদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হবে গত ১২ বছরে দেশের যে ক্ষতি হয়েছে বলে তাঁরা মনে করেন, তা কাটিয়ে ওঠা।আরও পড়ুন:
শনিবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও একটি বার্তা দিয়ে বিক্ষোভকারীদের পাশে থাকার কথা জানান কংগ্রেস নেতা। আন্দোলনকারীদের গ্রেপ্তার বা পুলিশি পদক্ষেপের মাধ্যমে দমন করা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ছাত্র ও যুবকদের আন্দোলনের প্রশংসা করে রাহুলের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার সংবিধানের উপর আঘাত হানছে।আরও পড়ুন:
মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ এবং এসআইআর বাতিলের দাবিতে চলা বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক চাপানউতোর তীব্র হয়েছে। বিরোধী দলগুলি আন্দোলনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, অন্যদিকে কর্মসূচি ঘিরে প্রশাসনিক পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের পতন সম্পর্কে রাহুল গান্ধীর মন্তব্য রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবেই বিবেচ্য; এর পক্ষে কোনও নির্দিষ্ট প্রমাণ তিনি প্রকাশ্যে তুলে ধরেননি।