পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: ককরোচ জনতা পার্টি, আপ, বিভিন্ন বামপন্থী সংগঠন ও ইন্ডি জোটের মতো বিরোধী দলগুলির নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে তোলা অভিযোগের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন ১২৪ জন প্রাক্তন আমলা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন আইএএস, আইএফএস ও আইআরএস আধিকারিকরা। ভোটচুরির অভিযোগ তুলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টার বিরোধিতা করে দেশবাসীর উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন তাঁরা। চিঠিতে আমলাদের স্পষ্ট প্রশ্ন, বিরোধীদের কাছে তথাকথিত ভোটচুরির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ কোথায়?


চিঠিতে ওই প্রাক্তন আমলারা জানিয়েছেন, তাঁরা কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। তবে ‘রিগড নির্বাচন’ বা ‘ভোটচুরি’ শব্দের যথেচ্ছ ব্যবহারে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা কালিমালিপ্ত হচ্ছে। অতীতের প্রসঙ্গ টেনে তাঁরা উল্লেখ করেন, এক সময় ব্যালট চুরি এবং বাহুবলীদের সাহায্যে ভোট করানোর অভিজ্ঞতা তাঁরা দেখেছেন। বুথ দখল এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে বাধ্য হয়ে সংসদে আইন তৈরি করে সেটিকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হয়েছিল।

বিরোধীদের অবস্থানের সমালোচনা করে আমলারা বলেন, একই নির্বাচনী ব্যবস্থার অধীনে জিতলে তা সৎ এবং হারলেই চুরি—এমন যুক্তি চলতে পারে না। বিরোধীদের নিজেদের প্রশ্ন করা উচিত যে তাঁদের আপত্তি প্রক্রিয়ায় নাকি ফলাফলে। বিহারের এসআইআর-কে সমর্থন জানিয়ে তাঁরা দাবি করেন, সেখানে এবার প্রথম অত্যন্ত স্বচ্ছ ভোট হয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়, অস্বচ্ছ ভোটার তালিকা সাধারণ মানুষের নয়, কেবল প্রতারকদের স্বার্থরক্ষা করে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের যাবতীয় সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে হওয়ায় সেখানে কোনও অস্বচ্ছতা থাকার অবকাশ নেই বলেও আমলারা উল্লেখ করেন।
চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন বিদেশ সচিব কানওয়াল সিব্বাল এবং প্রাক্তন আইএএস আধিকারিক আর ডি কাপুর, সমীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, গোপাল কৃষ্ণ, বিবেক ভারদ্বাজ ও নবনীত সেহগাল।