পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: ‘এসআইআর’ বা ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ভারত সরকারের কড়া পদক্ষেপের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দমাতে ভারত সরকার দমন-পীড়ন নীতি গ্রহণ করেছে। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণরূপে খারিজ করে দিয়েছেন আমেরিকার বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও। ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকার করার পাশাপাশি তিনি রাষ্ট্রসংঘের বিশেষজ্ঞদের ওই মন্তব্যকে ‘স্ববিরোধী’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
সম্প্রতি ‘এসআইআর’ বিতর্ককে কেন্দ্র করে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবং কংগ্রেস-সহ বিভিন্ন বিরোধী দলগুলির আন্দোলন আট
আরও পড়ুন:
কাতে কড়া হাতে পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। শুধু দিল্লিতেই ছাব্বিশ হাজার আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল এবং দিল্লি পুলিশের ভূমিকাও ছিল অত্যন্ত আগ্রাসী। অভিযোগ উঠেছে, যুব সমাজের এই বিক্ষোভে একাধিক ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লাঠিচার্জ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাময়িকভাবে মেট্রো ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি বহু আন্দোলনকারীকে আটক ও গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। এই গোটা বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছিলেন রাষ্ট্রসংঘের ২০ জন মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ, তবে মার্কিন বিদেশ সচিব রুবিও তাঁদের সঙ্গে সহমত নন।