চোরবাগানে পদপিষ্টের ঘটনায় আহতদের বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, মৃতের সংখ্যা যাতে আর না বাড়ে, সেই লক্ষ্যেই আহতদের দ্রুত বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানোর পর আর কোনও আহতের মৃত্যু হয়নি। একই সঙ্গে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামোয় কিছু খামতি থাকার কথা স্বীকার করে তা উন্নত করতে আরও দু’বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

মহানবমীর রাতে আচমকাই স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুমে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী।

সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। জায়ান্ট স্ক্রিনে কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন তিনি। পুজোর ভিড়ের মধ্যে কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে স্বাস্থ্য দফতর কতটা প্রস্তুত, তা পর্যালোচনা করতেই তাঁর এই পরিদর্শন।

সেখানেই সাংবাদিকেরা চোরবাগানের ঘটনায় আহতদের বেসরকারি হাসপাতালে রেফার করা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মৃতের সংখ্যা যাতে আর না বাড়ে, সেই জন্যই ঘটনাস্থলেই আমরা আহতদের বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।

তারপর আর মৃতের সংখ্যা বাড়েনি।”

সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী স্বীকার করেন, কিছু খামতি রয়েছে। তাঁর কথায়, বেসরকারি হাসপাতালের মতো পরিকাঠামো উন্নত করতে আরও দু’বছর সময় লাগবে। তিনি বলেন, “সবে তো ছ’মাস হল।”

এদিকে, আহতদের রেফার করা নিয়ে যেসব চিকিৎসক ও জুনিয়র চিকিৎসক মন্তব্য করেছেন, তাঁরা সংশ্লিষ্ট সময়ে ডিউটিতে ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখার কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, দায়িত্ব পালন করার সময়ে কর্তব্য ছেড়ে অন্য কাজে যুক্ত হওয়া নিয়মবিরুদ্ধ এবং মানবিক দিক থেকেও সমর্থনযোগ্য নয়।