পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: দুর্গাপুজো শেষ হতেই রাজ্যে বেজে উঠল পুরভোটের দামামা। কমিশন এখনও চূড়ান্ত নির্ঘণ্ট ঘোষণা না করলেও ওয়াকিবহাল মহলের অনুমান, আগামী নভেম্বরেই কলকাতা ও হাওড়া-সহ সাতটি পুরসভা ও পুরনিগমে নির্বাচন হতে পারে। এই আবহেই কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে শাসকদল বিজেপি। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার রাতেই শহরে আসছেন দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল। শুক্রবার রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর মেগা বৈঠকে বসার কথা রয়েছে।
সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে চলতি অক্টোবর মাসেই কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগমের জন্য প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারে গেরুয়া শিবির।সূত্রের খবর, প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে পুরোদমে চলছে স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া। তৃণমূলের টিকিটে জেতা একাধিক পুর প্রতিনিধি ইতিমধ্যেই বিজেপির টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন। শুধু আসন্ন সাতটি পুরসভাই নয়, আগামী বছর রাজ্যের বাকি পুরসভাগুলির নির্বাচনের কথাও মাথায় রেখে রণকৌশল সাজাচ্ছে বিজেপি। সংগঠনকে মজবুত করতে রাঢ়বঙ্গ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও কলকাতাকে ধরে প্রায় ১০টি সাংগঠনিক জেলার কমিটিতে রদবদলের চিন্তাভাবনা রয়েছে শীর্ষ নেতৃত্বের।
বিজেপি পুরোদমে নির্বাচনী ময়দানে নেমে পড়লেও বিরোধী শিবিরগুলি এখনও বেশ খানিকটা পিছিয়ে। বিশেষ করে তৃণমূলের প্রতীক নিয়ে জটিলতা এখনও কাটেনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি ঋতব্রত শিবির—কার দখলে যাবে ‘জোড়াফুল’, তা ঝুলে থাকায় আগামী ৩০ অক্টোবর উভয় পক্ষকে ডেকে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। অন্যদিকে বাম ও কংগ্রেসও প্রস্তুতিতে কিছুটা শ্লথ গতিতেই এগোচ্ছে। ফলে বিরোধীদের এই দোলাচলের সুযোগ নিয়ে শুরুতেই লড়াইয়ে অনেকটাই এগিয়ে থাকতে চাইছে গেরুয়া শিবির।