পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানির ওপর সম্ভাব্য মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং রাশিয়া থেকে তেল কেনা দেশগুলির ওপর শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপের প্রভাব মূল্যায়নে ৬০ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের ফলে মস্কো থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানির ক্ষেত্রে আপাতত বড় আকারের মার্কিন বাণিজ্য বিধিনিষেধ ও অর্থনৈতিক শাস্তির হাত থেকে সাময়িক স্বস্তি পেল ভারত।
আরও পড়ুন:
উজবেকিস্তান ও ভারত সফরে রওনা হওয়ার আগে শনিবার সন্ধ্যায় মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, প্রস্তাবিত এই অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ বৈশ্বিক বাজারে তথা আমেরিকার নিজেদের অর্থনীতিতে কী প্রভাব ফেলতে পারে, তা খতিয়ে দেখতেই ট্রাম্প প্রশাসন এই সময় নিচ্ছে।
আরও পড়ুন:
গত শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট’—যা মূলত ‘গ্রাহাম অ্যাক্ট’ নামে পরিচিত—তার বেশ কিছু কঠোর শর্ত সাময়িকভাবে মওকুফ করার এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন।
এই আইনের মূল উদ্দেশ্য ছিল যেসব দেশ রাশিয়া থেকে তেল কেনা অব্যাহত রাখবে, তাদের ওপর কড়া শাস্তিমূলক শুল্ক বসানো।আরও পড়ুন:
মার্কিন বিদেশমন্ত্রী জানান, জিওপলিটিক্যাল বা ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তিত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার সুবিধার্থেই আদেশে এই ছাড় বা ‘ওয়েভার’ যুক্ত করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট অথবা বিদেশ ও অর্থ মন্ত্রক যৌথভাবে পর্যালোচনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত এই ছাড় কার্যকর থাকবে।
আরও পড়ুন:
রাশিয়া থেকে ভারতের জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করে বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, "ভারতের মতো দেশগুলি নিজস্ব উদ্যোগে জ্বালানির উৎস বৈচিত্র্যময় করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা এখনও রাশিয়ার ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল, কারণ একদিনের মধ্যে রাতারাতি এত বড় জ্বালানি সরবরাহের জায়গা পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন।"