পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক:  রাজ্যে একদিনে জোড়া এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটল! মঙ্গলবার ভোরে উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে অভিযুক্তকে এনকাউন্টার করেছিল পুলিশ। আর ওই দিনই বিকেলে মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে সিআইডির গুলিতে খতম হল বিজেপি নেতা সুজিত মণ্ডল খুনে অভিযুক্ত শামাউল হক। গত তিন মাসে রাজ্যে এই নিয়ে তিনবার এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটল, যা অপরাধ দমনে বর্তমান রাজ্য সরকারের কড়া পদক্ষেপ হিসেবেই মনে করা হচ্ছে।


সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সেপ্টেম্বরে সামশেরগঞ্জে বিজেপি নেতা সুজিত মণ্ডলকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিল শামাউল-সহ তিনজন। ঘটনার তদন্তভার সিআইডির হাতে যাওয়ার পর, মঙ্গলবার তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত শামাউলকে ধুলিয়ান বাজারের কাছে ডাকবাংলো মোড়ে নিয়ে যান সিআইডি আধিকারিকরা। অভিযোগ, সেখানে সে তদন্তকারীদের কাজে বাধা দেয় এবং তাঁদের সার্ভিস রিভলবার ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। তখনই আত্মরক্ষার্থে গুলি চালান সিআইডি আধিকারিকরা।
গুরুতর জখম অবস্থায় শামাউলকে স্থানীয় অনুপনগর ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
রাজ্যে পরপর এধরনের ঘটনা নিঃসন্দেহে একটি বড় বার্তা দিচ্ছে। এর আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অপরাধীদের কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়েছিলেন, অপরাধ দমনে ‘সকালে জমা বিকেলে খরচ’ নীতিই অনুসরণ করা হবে। পুলিশ ও তদন্তকারীদের উপর অভিযুক্তরা আক্রমণ করলে যে তার চরম পরিণতি ভোগ করতে হবে, গাইঘাটা এবং ধুলিয়ানের জোড়া এনকাউন্টার যেন সেই হুঁশিয়ারিরই প্রতিফলন।