আরও পড়ুন:
পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: . ২০২২ কে বিদায় জানিয়ে ২০২৩ কে স্বাগত জানানোর পালা। সুস্থ থাকতে অনেকেই নিয়মিত ডায়েট মেনে চলেন। ২০২৩ এর ট্রেন্ডিং ডায়েট কোনটা জেনে নিন তা।
আরও পড়ুন:
মেডিটেরিয়ান ডায়েট
আরও পড়ুন:
মেডিটেরিয়ান ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত থাকে ফল-মূল, শাকসবজি, গোটা শস্য, লেবু, মাছ ইত্যাদি। এর সঙ্গে জলপাই তেলের পরিমাণ বেশি ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট কম খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুন:
গবেষণায় দেখা গেছে, মেডিটেরিয়ান ডায়েট কার্ডিওভাসকুলার রোগে মৃত্যুর ঝুঁকি ও ওজন কমাতে সাহায্য করে।
আরও পড়ুন:
কেটোজেনিক ডায়েট
আরও পড়ুন:
কেটো ডায়েটে চর্বি বেশি ও কার্বোহাইড্রেট কম গ্রহণের পরামর্শ দেয়।
তবে কোষ্ঠকাঠিন্য ও নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধের মতো সমস্যা এড়াতে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এখন কেটো ডায়েটে কার্বোহাইড্রেটের পাশাপাশি প্রোটিনের পরামর্শ দিচ্ছেন।আরও পড়ুন:
ইন্টারমিটিং ফাস্টিং
আরও পড়ুন:
বিরতিহীন উপবাস বা ইন্টারমিটিং ফাস্টিং করে ওজন কমানোর পদ্ধতি বেশ জনপ্রিয় বিশ্বব্যাপী। এক্ষেত্রে প্রতিদিন ১৬-১৮ ঘণ্টা উপবাসের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুন:
বিশেষ করে রাত ৮টা থেকে পরের দিন দুপুর পর্যন্ত না খেয়ে থাকার মাধ্যমে ধীরে ধীরে ওজন কমানো হয় এক্ষেত্রে। শুধু ওজন নয়, ইন্টারমিটিং ফাস্টিং শরীরের সুস্থতাতেও ব্যাপকভাবে কার্যকরী বলে প্রমাণ হয়েছে বিভিন্ন গবেষণায়।
আরও পড়ুন:
ভেগান ডায়েট
আরও পড়ুন:
হলিউড কিংবা বলিউডের অনেক তারকাই ভেগান বা নিরামিষাশী ডায়েট অনুসরণ করেন। বিভিন্ন গবেষণায় এর স্বাস্থ্য উপকারিতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
ভেগানরা মাংস, ডিম, মাখন, জেলটিন, মধুসহ সব ধরনের প্রাণীজ পণ্য খাওয়া এড়িয়ে চলে।আরও পড়ুন:
লো-কার্ব ডায়েট
আরও পড়ুন:
পুরোনো হলেও বিশ্বব্যাপী অনেকের কাছে জনপ্রিয় এই ডায়েট। এক্ষেত্রে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার কম ও শাকসবজি বেশি খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুন:
ড্যাশ ডায়েট
আরও পড়ুন:
উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ও ওজন কমাতে দারুন কার্যকরী এক খাদ্যতালিকাগত পদ্ধতি এটি। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের গবেষণার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে এই ডায়েট।
আরও পড়ুন:
এতে প্রচুর ফল, সবজি, শস্য গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। আর সীমিত পরিমাণে চর্বিযুক্ত মাংস, হাঁস-মুরগি, মাছসহ কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত পণ্য খাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।
পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম বেশি থাকা সত্ত্বেও ড্যাশ ডায়েটে সোডিয়ামের পরিমাণ কম হয়।আরও পড়ুন:
প্যালিও ডায়েট
আরও পড়ুন:
এটি বর্তমানে জনপ্রিয় একটি ডায়েট। তবে এই ডায়েটে খাবার অনেক কম থাকে। ফল, শাকসবজি, মাংস, মুরগি, মাছ, বাদাম, বীজ খাওয়া গেলেও দুগ্ধ, শস্য, লেবু ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয় এই ডায়েটে।
আরও পড়ুন:
সমালোচকরা বলছেন, এই ডায়েটে যেহেতু খাবার খুব সীমিত থাকে তাই শরীরে বিভিন্ন ভিটামিনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
আরও পড়ুন:
প্রোটিনসমৃদ্ধ ডায়েট
আরও পড়ুন:
নতুন বছরে প্রোটিনসমৃদ্ধ ডায়েটের প্রবণতাও লক্ষ্য করা যাবে। এই ডায়েট অনুসরণ করলে খাওয়ার প্রবণতা কমে, কারণ প্রোটিন দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে।
আরও পড়ুন:
মাংস ও দুগ্ধজাত খাবার এখনো প্রোটিনের জনপ্রিয় উৎস কিন্তু যারা মাংস খেতে পারেন না বা খেতে চান না তাদের জন্য ভেগান প্রোটিন পাউডারও আছে। পাস্তুরিত তরল ডিমের সাদা থেকে তৈরি ডিমের সাদা প্রোটিন পাউডারও আছে।
আরও পড়ুন: